বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

সম্ভাব্য বনাঞ্চল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই কেন্দ্রের কাছে

Kaushik Roy | ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৯ : ২৪


বীরেন ভট্টাচার্য: বনাঞ্চল চিহ্নিত করা নিয়ে রাজ্যগুলির তরফে কোনও রিপোর্ট নেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। ১৯৯৬ সালে টিএন গোদাবরন এবং কেন্দ্রীয় সরকার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল প্রত্যেকটি রাজ্য সরকার একটি নিজস্ব বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করবে। সেই কমিটি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বনাঞ্চল চিহ্নিত করবে। যদিও তথ্য জানার অধিকার আইনে রাজ্যগুলি সম্পর্কে কোনও রিপোর্ট নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কোন কোন রাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট জমা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান অবসরপ্রাপ্ত আইএফএস অফিসার প্রকৃতি শ্রীবাস্তব। গত জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রের থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনে এই প্রশ্নের জবাব চান তিনি।

তাঁর আবেদনের জবাবে ২৫ জানুয়ারি পরিবেশ মন্ত্রক জানায়, "মন্ত্রকের বন সংরক্ষণ বিভাগে এই সংক্রান্ত কোনও তথ্য নেই।" গত ২০ জানুয়ারি ফের একটি আবেদন করে প্রকৃতি শ্রীবাস্তব সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের জিআইএস ম্যাপ সম্পর্কে জানতে চান। জেলা ভিত্তিক বনাঞ্চলের সীমানা উল্লেখ করা ম্যাপ চেয়ে পাঠান তিনি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, জিআইএস নির্ভর তথ্য নির্ভর তৈরি করা হয়েছে কিনা তা জানতে চান প্রকৃতি শ্রীবাস্তব। যদি হয়ে থাকে, সেই ওয়েবসাইটের লিঙ্কও চান তিনি। তাঁর সেই আবেদনের জবাবে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক সম্প্রতি জানিয়েছে, " ফরেষ্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে একটি জিআইস নির্ভর তথ্য ভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে। সেই লিঙ্কে জলস্তর, বন্যপ্রাণীর এলাকা, সহ যাবতীয় তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে। সেই তথ্য ভাণ্ডার প্রকাশ্যেই রয়েছে। তবে রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল সম্পর্কে যে তথ্য চাওয়া হয়েছে সেটি ফরেষ্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার রেকর্ডের আওতাধীন নয়, বরং সেটি রাজ্য বা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের থেকে পাওয়া যেতে পারে।"

অর্থাৎ এখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ফরেষ্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে যে তথ্য ভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে সেখানে এই তথ্য নেই। যদিও গত জুলাই মাসে বন সংরক্ষণ সংশোধন বিল নিয়ে সংসদের বাদল অধিবেশনে যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে। সেখানে জানানো হয়, "রাজ্যগুলির বিশেষজ্ঞ কমিটির তরফে চিহ্নিত করা সম্ভাব্য বনাঞ্চল সম্পর্কে তথ্য রেকর্ডে নেওয়া হয়েছে। সেই সমস্ত এলাকাতেও এই আইন কার্যকর হবে।" ফলে, স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই সম্পর্কে তথ্য থাকার কথা। বন সংরক্ষণ সংশোধন আইনের একাধিক ধারার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত আইএফএস অফিসার। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট পাঠাতে হবে। সেই তথ্য থাকবে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রকের কাছে। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রাজ্যগুলির পাঠানো তথ্য প্রকাশ করতে হবে।"



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া