শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

World Cup Final: ১৪০ কোটির স্বপ্নভঙ্গ, হেডের শতরানে বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার

Kaushik Roy | ১৯ নভেম্বর ২০২৩ ১৬ : ৩৬


সম্পূর্ণা চক্রবর্তী, আহমেদাবাদ: ১৪০ কোটির স্বপ্নভঙ্গ। সবরমতির জলে ভেসে গেল ভারতবাসীর স্বপ্ন। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হাতছাড়া ভারতের। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনির পর কাপ উঠল না রোহিত শর্মার হাতে। আরও একটি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে হার ভারতের। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিতল অস্ট্রেলিয়া। রবিবাসরীয় রাতে ভারতকে ৬ উইকেটে হারাল প্যাট কামিন্সের দল। এরই নাম অস্ট্রেলিয়া। কেন তাঁরা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (এবারেরটা বাদ দিয়ে) আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল অজিরা। সবদিক থেকে এগিয়ে ছিলেন রোহিত শর্মারা। দশে দশ। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। মঞ্চ সাজানোই ছিল। সকলে ধরেই নিয়েছিল ভারত বিশ্বকাপ জিতবে। কিন্তু মোদির রাজ্যে চূড়ান্ত হতাশ করল টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালের চাপ নিতে ব্যর্থ। অন্যদিকে বড় মঞ্চে স্নায়ু ধরে রেখে বাজিমাত অজিদের। কীভাবে ম্যাচ বের করতে হয় আরও একবার দেখিয়ে দিল।বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পর আরও একবার জ্বলে উঠলেন ট্রাভিস হেড। একাই শেষ করে দিলেন ভারতকে। বলা যায়, হেডের কাছেই হারল টিম ইন্ডিয়া। অনবদ্য শতরান। ১২০ বলে ১৩৭ রানে আউট হন অজি ওপেনার। জয়সূচক শট নিতে পারলেন না, দলের ২ রান বাকি থাকাকালীন আউট হন। ম্যাচ জেতানো ইনিংসে রয়েছে ৪টি ছয়, ১৫টি চার।



প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ২৪০ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস। জবাবে ৪৩ ওভারে জয়ের রানে পৌঁছে যায় অজিরা। লো স্কোরিং ম্যাচ। ৪৭ রানে ৩ উইকেট তুলে অস্ট্রেলিয়াকে চাপের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন বুমরা, শামিরা। কিন্তু একাই দলকে লক্ষণরেখার ওপারে নিয়ে যান ট্রাভিস হেড। তাঁকে সঙ্গত দেন মার্নাস লাবুশেন। ১১০ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত। চতুর্থ উইকেটে ১৮২ রান যোগ করে এই জুটি। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে প্যাট কামিন্স জানিয়েছিলেন, তাঁদের দলের ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ জেতার অভিজ্ঞতা বেশি। সেটাই পার্থক্য গড়ে দিল। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের অভিযান শুরু হয়েছিল ভারতের। কিন্তু বৃত্ত সম্পূর্ণ হল না। দশ ম্যাচে একপেশে জয়ের পর অজিদের বিরুদ্ধে পদস্খলন রোহিত শর্মাদের। চাপের মুখে আত্মসমর্পণ। ৩০-৪০ রান কম তোলে ভারত। অত্যন্ত মন্থর ব্যাটিং কেএল রাহুলের। ফিল্ডিংও উন্নতমানের নয়। অবশ্য পরের দিকে শিশিরের জন্য কিছুটা সুবিধা পায় অস্ট্রেলিয়া। পাশাপাশি দুরন্ত ফিল্ডিং অজিদের। ট্রাভিস হেডের অনবদ্য ক্যাচ। রোহিতের আউটই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। ম্যাচের শুরুতে এবং শেষে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। মোতেরা যেন ভাঙা হাট।



বিশ্বমঞ্চে ব্যাটিং বিপর্যয়। মন্থর উইকেটে অজি পেসারদের কাছে আত্মসমর্পণ। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, কেএল রাহুল ছাড়া বাকিরা রান পায়নি। টসে জিতে প্যাট কামিন্স ভারতকে ব্যাট করতে পাঠানোয় ২০ বছর আগের স্মৃতি ভেসে উঠেছিল। ২০০৩ বিশ্বকাপে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান সৌরভ গাঙ্গুলি। বাকিটা ইতিহাস। তার পুনরাবৃত্তি ঘটল না। ভারত অজি বোলারদের সাজানো ফাঁদে পা দিল। ঘরের মাঠ, চেনা পিচ। মোতেরার উইকেটে নেমেই শট খেলা সহজ নয়। সেই ভুলটাই করেন শুভমন গিল, শ্রেয়স আইয়ার। প্রতি ম্যাচের মতো শুরুটা দারুণ করেন রোহিত শর্মা। যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, পিচের সঠিক চরিত্র বোঝা যায়নি। অন্যান্য ম্যাচের মতো সাবলীল ব্যাটিং। মাত্র ৩১ বল ক্রিজে ছিলেন। তারমধ্যে হাঁকান ৩টি ছয়, ৪টি চার। তবে ঠিক সেমিফাইনালের মতো মাত্র ৩ রানের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন। ৩১ বলে ৪৭ রানে ফেরেন রোহিত। এই পিচেও দেড়শো স্ট্রাইক রেট। কিন্তু ভারত অধিনায়ক বাদে বাকিরা যথেষ্ট বেগ পায়। আগেই ফিরে যান শুভমন গিল (৪)। ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও দ্রুত তিন উইকেট হারিয়েছিল ভারত। কিন্তু দলকে ম্যাচে ফেরান বিরাট কোহলি, কেএল রাহুল। এদিনও তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে মনে হয়েছিল।



চার, ছয় না হলেও এই উইকেটে খারাপ ব্যাট করেননি বিরাট, রাহুল। চতুর্থ উইকেটে ৬৭ রান যোগ হয়। মন্থর পিচে বল ব্যাটে আসছিল না। ৬৩ বলে ৫৪ করে কামিন্সের বলে বোল্ড হন। ব্যর্থ শ্রেয়স আইয়ার (৪), রবীন্দ্র জাদেজা (৯), সূর্যকুমার যাদবও (১৮)। মোতেরার পিচে একাধিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয় ভারতীয় দল। পরিকল্পনার অভাব। তার বাস্তবায়নেরও। চেনা রাহুলকে পাওয়া যায়নি এদিন। ১০৭ বল খেলে মাত্র ১টা চার মারেন। একাই প্রায় ১৮ ওভার ব্যাট করেন। শেষ দশ ওভারের ফায়দা তুলতে পারতেন। কিন্তু উইকেটে সেট হয়েও ৬৬ রানে ফিরে যান। ৫০ ওভারে ২৪০ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস। তারই খেসারত দিতে হল। ফাইনালে বিনা লড়াইয়ে হার। চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন বুমরা, সিরাজরা।‌ স্তম্ভিত বিরাট। ম্যাচ শেষেই থমথমে মুখে ড্রেসিংরুমে চলে যান রোহিত। মিলল না চিত্রনাট্য। একটু আগে পর্যন্তও যে স্টেডিয়ামের রং ছিল নীল, সেখানে হঠাৎই হলুদ ঝড়।



বিশেষ খবর

নানান খবর

Advertise with us

নানান খবর

BOOK COVER: প্রকাশিত হল ‘দ্য বৈদিক ওয়ে’

ED Raids: শাহজাহান ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি শুরু ইডি’‌র ...

Rain : কলকাতায় স্বস্তির বৃষ্টি

MAMATA: চোপড়ায় শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর...

Jadavpur University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে...

SNU: প্রতিষ্ঠা দিবসে সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওঠার শপথ নিল এসএন‌ইউ...

খালিস্তানি-মন্তব্য বিতর্ক, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শিখ প্রতিনিধি দলের ...

Dashabhuja Bangali: দশভুজা বাঙালি সম্মান জেভিয়ার্সে

BANGLA: পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অ্যাকাডেমীর ভাষা দিবস পালন...

MAMATA: আধার নিয়ে চক্রান্ত রুখে দিলাম: মমতা

PROTEST: মুরলিধর সেন লেনে বিক্ষোভ শিখ সম্প্রদায়ের

ED: ফের সক্রিয় ইডি, এবার সাইবার প্রতারণা কাণ্ডে শুরু অভিযান ...

এপ্রিলে প্রথম লন্ডন মহোৎসব, প্রস্তুতি তুঙ্গে

TMC: আধার নিয়ে তথ্য চাইলেন সাকেত

HIGH COURT: সন্দেশখালি কাণ্ডে পুলিশকে ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির...

Sandeshkhali: ‌শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দুকে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ...

Metro Service: ‌অফিস টাইমে ফের মেট্রো পরিষেবা বিঘ্নিত, ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা...

সোশ্যাল মিডিয়া