মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত

HEMRAJ ALI | ১৬ নভেম্বর ২০২৩ ১৪ : ৩০


বারুইপুর:জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনের ৭২ ঘণ্টা পর এফআইআরে নাম থাকা সিপিএম নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সূত্রের খবর, সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সিপিএম নেতা আনিসুর লস্কর ফেরার ছিল। তার মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করেই পাকড়াও করা হয় বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আনিসুর লস্কর ছাড়াও আরো ৪ জনকে আটক করেছে বারুইপুর পুলিশ জেলার এসওজি টিমের পুলিশ। ধৃতদেরকে নিয়ে আসা হয়েছে বারুইপুর জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরের।পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়,ধৃত আনিসুর লস্করের মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাপ করে রানাঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।স্থানীয় সূত্রের খবর, আনিসুর এলাকায় সিপিএম নেতা হিসেবে পরিচিত। তবে সিপিএমের দাবি, দলের কোনও পদে নেই তিনি। ভোটের রাজনীতিতেও কখনও নামেননি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই দলের কাজ করেন। বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার অন্তর্গত বামনগাছি পঞ্চায়েত। তৃণমূলের স্থানীয় এক নেতা জানান, গত পঞ্চায়েতে বামনগাছি এবং পাশের চালতাবেড়িয়া পঞ্চায়েত দখলে আনিসুরকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন সেই বড় নেতা। কিন্তু দু’টি পঞ্চায়েতে একটি আসনও মেলেনি সিপিএমের। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ দখল করে জেতার অভিযোগ ওঠে। সেই থেকেই সইফুদ্দিনের সঙ্গে আনিসুরের তিক্ততা বাড়ে বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের।পুলিশ সূত্রে খবর, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার করা হয় আনিসুরকে। তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে এর নামই প্রধানত শোনা গিয়েছিল। বারুইপুর পুলিশ জেলার আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, অভিযুক্তদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরে নদিয়ার রানাঘাট, হরিণঘাটার মতো জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। আজ সেখান থেকেই গ্রেফতার হয় আনিসুর লস্কর। আরও ৪ জনকে নদিয়ার রানাঘাট, হরিণঘাটা থেকে আটক করা হয়েছে। গত সোমবার ভোরে তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিনকে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের তরফে যে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, তাতে মূলত এই সিপিএমের নেতার কথা বলা হয়। আদতে দলুয়াখাকির বাসিন্দা আনিসুর। ওই ঘটনার পর, পাল্টা হামলার অভিযোগ ওঠে দলুয়াখাকিতে। আনিসুর-সহ ১৬ জন সিপিএম কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। গোটা পর্ব ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু অভিযুক্ত সিপিএম নেতার খোঁজ মেলেনি। যদিও তার পরিবারের দাবি, পুলিশ যখন তার খোঁজ শুরু করে, তখন ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছিল আনিসুর। তার পর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি। পুলিশের দাবি, আজ রানাঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, স্থানীয়দের একাংশ জানাচ্ছেন, সইফুদ্দিনকে যারা খুন করতে এসেছিল তাদের এক জনকে সে দিন গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়। তৃণমূল নেতাকে খুনে জড়িত সন্দেহে পিটিয়ে যাকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ, তার নাম সাহাবুদ্দিন লস্কর। সইফুদ্দিনকে খুনের ঘটনায় এক অভিযুক্ত সাহারুল শেখকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে এখন পুলিশ হেফাজতে।



বিশেষ খবর

নানান খবর

Advertise with us

নানান খবর

জমজমাট জোমাল্যান্ড

দেখে নিন আজকের সেরা ১০টি খবর

জাতীয় নির্বাচন কমিশনে তৃণমূল

বাংলাকে 'বড় উপহার' মোদির

বদলাচ্ছে রেল স্টেশনগুলির খোললোনচে!

দেখে নিন আজকের সেরা ১০টি খবর

সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশের বাধা কংগ্রেসকে...

বি টি রোড উদ্বোধন অভিষেক ব্যানার্জির

লোকসভা নির্বাচনের জন্য আগামী তিন মাস বন্ধ থাকবে ‘মন কি বাত’...

ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার

দেখে নিন আজকের সেরা ১০টি খবর

আজ ট্রামের জন্মদিন...

উন্মোচিত হল 'বরিশালের প্রয়াত গুণীজন'

সন্দেশখালিতে ২ মন্ত্রী সুজিত বসু ও পার্থ ভৌমিক...

'ন্যায় যাত্রা'য় রাহুলের পাশে প্রিয়াঙ্কা

সোশ্যাল মিডিয়া