বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

EXCLUSIVE: যে মাধ্যমেই কাজ করি না কেন, ছোটপর্দা কখনও ছাড়ব না: ইন্দ্রাণী হালদার

শ্যামশ্রী সাহা | ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৮ : ২৪


ছোটপর্দা, বড়পর্দা, সিরিজ— অভিনয় বৃত্ত সম্পূর্ণ। বাকি পরিচালনা। কবে ক্যামেরার পিছনে আসছেন? প্রথম সিরিজ অভিনয়ের অভিজ্ঞতাই বা কেমন? শ্যামশ্রী সাহাকে জানালেন ইন্দ্রাণী হালদার
প্রশ্ন: কেমন আছেন?
ইন্দ্রাণী: খুব ভাল আছি।
প্রশ্ন: আপনাকে ‘ছোটলোক’-এর প্রেস কনফারেন্স বা প্রিমিয়ারে তো দেখা গেল না?
ইন্দ্রাণী: আমি ছিলাম না। বাইরে ছিলাম। তাই আসতে পারিনি।
প্রশ্ন: প্রথম ওয়েব সিরিজে অভিনয় অভিজ্ঞতা কেমন? 
ইন্দ্রাণী: খুব ভাল। প্রথম ওয়েব সিরিজে কাজ করলাম আমি সব প্ল্যাটফর্মেই কাজ করেছি, টেলিভিশন, বড়পর্দা। কিন্তু এতদিন ওয়েব সিরিজে কোনও কাজ করা হয় না। কাজ করতে গিয়ে মনে হল পুরো ব্যাপারটাই খুব ফিল্মি। সাবজেক্ট সিলেকশন, মেকিং, প্রেজেন্টেশন, স্ক্রিপ্ট সবটাই খুব গোছানো। ছবিতে কাজ করলে যে আনন্দটা পাওয়া যায়, ওয়েব সিরিজ করতে গিয়ে সেই আনন্দটাই পেয়েছি।
প্রশ্ন: ওয়েব সিরিজে নতুন পরিচালক ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, তাঁর সঙ্গে প্রথম কাজ আপনারও চিত্রনাট্যের জোরে রাজি হলেন?
ইন্দ্রাণী: আমি যখন ‘গোয়েন্দা গিন্নি’ করছি, তখন ওর সঙ্গে আমার আলাপ, ইন্দ্রনীল প্রোমোগুলো বানাতো। ওর মেকিং এর কাজ দারুণ। আমাকে যখন স্ক্রিপ্ট শোনাল, গল্পের থ্রিলার এলিমেন্টটা আমার ভাল লেগেছিল। খুব রিয়েলিস্টিক। বর্তমান সমাজকে তুলে ধরছে। আমাদের চারপাশে সাধারণত যে সব ঘটনা ঘটে, সেটাই গল্পে দেখানো হয়েছে। গল্পে সব মশলা আছে। আমার মনে হয়েছিল মানুষ এই গল্পের চরিত্রের সঙ্গে রিলেট করতে পারবে। 
প্রশ্ন: মোহর ভট্টাচার্যের মতো রাজনৈতিক চরিত্রেও আপনি প্রথম কাজ করলেন
ইন্দ্রাণী: হ্যাঁ। এই ধরনের চরিত্র আগে পাইনি। 
প্রশ্ন: চরিত্রটা বেশ জটিল, নেতিবাচক না ইতিবাচক বোঝা মুশকিল
ইন্দ্রাণী: খুব নতুন ধরনের চরিত্র। ঘরোয়া গৃহবধূ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্ব। কখনও মনে হতে পারে নেগিটিভ, কিন্তু আদৌ তা নয়, মোহর পরিস্থিতির শিকার, জীবনে ধাক্কা খেতে খেতে পাথর হয়ে গিয়েছে। অনেকেই মোহরের মধ্যে নিজেকে খুঁজে পাবে, যেমন শ্রীময়ীর মধ্যে পেত।  
প্রশ্ন: আপনার লুকস ও অন্যরকম, রাজনৈতিক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রাজনীতির ভাষা শিখতে হয়েছে?
ইন্দ্রাণী: এই রকম লুকে আমাকে আগে কখনও দেখা যায়নি। আমার চরিত্রে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছায়া নেই। একেবারে নতুন ভাবনায় লেখা। ভাষণের দৃশ্য করার আগে আমি অনেক পলিটিকাল মিটিং-এ গিয়েছি। ইউ-টিউবেও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বক্তৃতা শুনেছি। অনুসরণ কাউকে করিনি, তবে একজন নেতা বা নেত্রীর বডি ল্যাঙ্গোয়েজ কেমন হওয়া উচিত সেটা শেখার চেষ্টা করেছি।
প্রশ্ন: শুধু গল্পের চরিত্র, নাকি বাস্তবেও রাজনীতিতে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
ইন্দ্রাণী: আমার রাজনীতিতে আসার কোনও ইচ্ছে নেই। 



প্রশ্ন: ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা তারপর ওয়েবসিরিজ বিনোদনের এই পালাবদল কেমন লাগছে?
ইন্দ্রাণী: আমি কখনও ছোটপর্দা ছাড়িনি। ওখানেই তো আমার শুরু। বড়পর্দায় কাজ করেও টেলিভিশনে কাজ করেছি। ওয়েব সিরিজ তো শুধু টেলিভিশনে নয়, মুঠোফেন, ল্যাপটপেও দেখা যায়। ৩৮ বছরে আমি অনেক পরিবর্তন দেখলাম, টেলিভিশনেও পরিবর্তন হয়েছে। আগে একটাই চ্যানেল ছিল, এখন কত চ্যানেল। ওটিটি আসায় কম্পিটিশনও বেড়েছে। চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। আমি পুরো ব্যাপারটাই খুব পজিটিভ ভাবে দেখি। পরিচালক, অভিনেতাদের কাজের সুযোগ বেড়েছে। ভালই তো।
প্রশ্ন: এরপর আপনাকে আবার টেলিভিশনে দেখা যাবে?
ইন্দ্রাণী: হ্যাঁ একদম। ওটিটিতে আরও কাজের কথা চলছে। টেলিভিশনেও ভাল চরিত্র পেলে কাজ করব। একইরকম চরিত্র আর করব না।
প্রশ্ন: ‘শ্রীময়ী’ তে আপনার নায়ক রোহিত সেন, মানে টোটা রায়চৌধুরী ‘রকি ঔর রানি’… করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেলেন। আপনি ছবিটা দেখেছেন?
ইন্দ্রাণী: না। আমি দেখিনি।
প্রশ্ন: আপনি তো মুম্বইয়ে অনেকদিন ছিলেন। আগামিদিনে আবার নিশ্চয়ই দেখা যাবে?
ইন্দ্রাণী: আমি আট বছর ওখানে কাটিয়ে এসেছি। এরা তো এখন গিয়েছে। চারটে মেগা সিরিয়ালে কাজ করেছি। এখনও সিরিয়ালের অফার আছে। ছাড়তে খুব খারাপ লাগে, কিন্তু আমার পক্ষে এখন মুম্বইয়ে থেকে কাজ করা সম্ভব না। মাকে ছেড়ে যেতে পারব না। মা মুম্বইয়ে যেতে চান না। ওয়েব সিরিজের কোনও কাজ পেলে করব। তখন তো টানা থাকতে হবে না।
প্রশ্ন: একটা সময় শোনা গিয়েছিল আপনি পরিচালনায় আসছেন, যেখানে মুখ্য চরিত্রে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যাযের কাজ করার কথা ছিল?
ইন্দ্রাণী: আমি ভেবেছিলাম, অনেকটা এগিয়েও গিয়েছিলাম, বিশেষ কারণে, কারণটা বলতে চাই না, কাজটা হয় নি।
প্রশ্ন: আগামীতে পরিচালক হিসাবে ইন্দ্রানী হালদারকে দেখা যাবে?
ইন্দ্রাণী: এখনও অনেক সময় আছে। কখন কী হয় বলা তো যায় না।
প্রশ্ন: সোশ্যাল মিডিয়ায় আগে আপনি বেশ সক্রিয় ছিলেন, ইদানীং আপনার পোস্ট খুব একটা চেখে পড়ে না?
ইন্দ্রাণী: এখন অনেক বিষয় ব্যক্তিগত রাখতে চাই। অনেকেই আমার পোস্ট নিয়ে ইচ্ছেমতো ভিডিও বানায়, ভাল লাগে না।
  




 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া