আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভোট মিটতেই হিংসা শুরু হয়েছে রাজ্যে। এবার এল হয়ত সবচেয়ে বড় খবর। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথকে লক্ষ্য করে গুলি চলল মধ্যমগ্রামে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। 


জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোহারিয়াতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গাড়িতে দু’‌জন ছিলেন চালক ও আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। আপ্তসহায়ক এর গাড়ির চালক আহত হয়েছেন।  জানা গিয়েছে তাঁরা, কালো স্করপিওতে ছিলেন। সূত্রের খবর, বাইকে করে এসে গুলি করে চন্দ্রনাথ রথ এর গাড়ি লক্ষ্য করে। ঘটনাস্থলে মধ্যমগ্রাম থানা এবং এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া অবধি শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক মারা গিয়েছেন। 


জানা গিয়েছে, শুভেন্দুর সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিলেন চন্দ্রনাথ। গাড়ি চালক চিকিৎসাধীন। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

জানা গিয়েছে, তাঁর পেটে–বুকে ও মাথায় গুলি লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন গাড়ির চালকও। অভিযোগ, বুধবার রাতে চন্দ্রনাথের গাড়ি পিছু করা হয়। মধ্যমগ্রামের দোহারিয়াতে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। আদতে পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা হলেও তিনি উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে আর একজন যুবক। বিজেপির একটি সূত্র জানাচ্ছে, ভবানীপুরে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দুর হয়ে যে ‘টিম’ কাজ করেছিল তার অন্যতম সদস্য ছিলেন চন্দ্রনাথ। তাঁর সঙ্গে গুলিবিদ্ধ যুবকও ওই দলের সদস্য ছিলেন। শেষ খবর পাওয়া অবধি, ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী।

এই ঘটনায় আরও জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেল পর্যন্ত শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রনাথ। মধ্যমগ্রামের দিকেই বাড়ি চন্দ্রনাথ রথের। বাড়ি ফেরার পথেই তাঁকে ফলো করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় নম্বর প্লেট হীন একটি গাড়ি আটক করা হয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার রাতে চারটি বাইকে মোট আটজন দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের গাড়ি পিছু করে। গাড়িটি দোহাড়িয়া লেনের ভিতরে ঢুকছিল, সেই সময় উল্টো দিক থেকে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এলোপাথারি গুলি চালায় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গাড়িটা যে গলিতে ঢুকেছে, সেটা আগে থেকে খবর দেওয়া হয়েছিল। খবর পেয়ে আততায়ীরা উল্টোদিক থেকে বাইক নিয়ে এসে গুলি করেছে। বাইক আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল।

এদিকে, ঘটনাস্থলে আসেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিংও। আর বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগড়ে দেন রথীন ঘোষের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রায় ১২ রাউন্ড গুলি চলেছে।