আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোট, ভোট মিটতেই ভোট পরবর্তী হিংসা। অভিযোগ, পালটা অভিযোগের মাঝেই উত্তাল বাংলা। বুধবার রাতে, গুলি চলে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়কের উপর। মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে গেরুয়া শিবির। নেতারা বলছেন তৃণমূলের হাইকমান্ড ছাড়া এই ঘটনা ঘটতে পারে না। আজকাল ডট ইন-এ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাহুল সিনহা, তাপস রায়, নীলাদ্রি দানা।

 

রাহুল সিনহা বলেন, 'দেখুন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। টার্গেট শুভেন্দু অধিকারী ছিল। কিন্তু ঘটনাচক্রে দুষ্কৃতিকারীরা ওর আপ্ত সহায়ক এবং ড্রাইভারের উপর গুলি চালিয়েছে। আপ্ত সহায়কের মৃত্যু হয়েছে। আমরা আগেই বারবার বলেছিলাম যে তৃণমূল কংগ্রেস একটি সন্ত্রাসবাদী দল। আর এই সন্ত্রাসবাদী দল  বাংলা থেকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, এবং ভবানীপুর থেকেও নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে প্রতিশোধের আগুন এদের ভিতরে জ্বলছে। আর সেই কারণে ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমরা পরিষ্কার মনে করি তৃণমূলের হাইকমান্ড ছাড়া এই ঘটনা কোনওভাবেই ঘটতে পারে না। অতএব এটা একটা রাজনৈতিক সন্ত্রাসের ঘটনা। এর তদন্ত ইতিমধ্যে পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা করবে এবং তাতে দোষী যাদের পাওয়া যাবে সে যেই  হোক, কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হোক এটা আমরা চাইছি।'

বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা বলেন, 'আজকে যেভাবে আমাদের সম্মানীয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ দাদাকে খুন করা হয়েছে , তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। চন্দ্রনাথ রথ একজন নির্ভীক মানুষ ছিলেন। প্রত্যেকটি বিধায়ককে তিনি সম্মান দিয়ে চলতেন। কিচ্ছু বলার ভাষা আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। কী অপরাধ তাঁর? এই মৃত্যুকে আমরা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আজকে সারা বাংলা নয় ভারতবর্ষের প্রত্যেকটি মানুষের কাছে বার্তা যাক। এ দায় কার? এর জবাব দিতে হবে।' 

তাপস রায় বলেন,  'খুনি তৃণমূল হুম সুপারি কিলার দিয়ে ফলো করিয়েছিল। মমতা অভিষেক অস্থিরতায় রয়েছে, তার প্রকাশ। আসলে পশ্চিমবাংলাতে দাঙ্গা লাগাতে চাইছে। বাংলায় যে রক্ত ঝরেনি, লাশ পড়েনি, এতে বড় যন্ত্রণায় রয়েছেন মমতা-অভিষেক। সেটাই করল, আর কী। কিন্তু এর পরিণাম কিন্তু ভয়ঙ্কর। আমি সেটাই ভাবছি।'