মিল্টন সেন: শুক্রবার মহরম। নির্দেশ মেনে হল না অস্ত্র নিয়ে খেলা। প্রশাসনের কড়া নজরদারীতে নির্বিঘ্নে এবং শান্তিতে পালন হল মহরম। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে প্রচণ্ড গরম থেকে রক্ষা পেতে জল ঢেলে রাস্তা ঠান্ডা করলেন এলাকাবাসী।
এদিন, ভিড় উপচে পড়েছিল হুগলি ইমামবাড়ায়। এখানে প্রতি বছর খুব বড় করে মহরম পালিত হয়। শুক্রবার ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রথম মাস মহরমের দশম দিন। ইসলাম ধর্মের মূলত সিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ তাজিয়া নিয়ে এদিন শোকযাত্রা বের করে থাকে।
সুন্নি সম্প্রদায়ের মানুষ রোজা বা উপবাস করে এই দিনটিকে পালন করে। বলা হয় মহরমের দশম দিনে কারবালার প্রান্তরে ইসলাম ধর্মের শেষ নবী হজরত মহম্মদের মেয়ের ঘরের নাতি ইমাম হুসাইন ও তাঁর পরিবার শহীদ হয়েছিলেন।
ইসলাম ধর্মের জন্য, মানবিকতা এবং ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলেন ইমাম হুসাইন সহ ৭২ জন। সেই শহীদদের স্মৃতিতে ইমাম হুসাইনের তাজিয়ার আদলে তৈরি তাজিয়া বের করে কারবালায় নিয়ে গিয়ে মাটি দেওয়া হয়। আজকের দিনটিকে বলা হয় আশুরা।
এদিন শোকার্ত থাকেন ইসলাম ধর্মের মানুষ। হুগলি ইমামবাড়ায় বিভিন্ন জায়গা থেকে তাজিয়া আসে। তারপর শোকযাত্রা কারবালায় যায়। এই মহরমে অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও সামিল হন। এদিন মহরমকে ঘিরে ইমামবাড়ায় এক সম্প্রীতির ছবি দেখা যায়। দশ দিন ধরে ইমামবাড়া সংলগ্ন এলাকায় চলবে মেলা। হবে বিকিকিনি।
ছবি পার্থ রাহা।















