আজকাল ওয়েবডেস্ক: হাতের হাত ছেড়ে তৃণমূলে এসেছিলেন। ২৬-এর ভোটের ফল প্রকাশের আগে থেকেই, তাঁর নানা মন্তব্যে জলঘোলা হয়েছিল। নজর কেড়েছিল তাঁর শপথ গ্রহণের পর্বও। তৃণমূলের এই ভাঙন পর্বে সাগরদিঘীর বায়রনের 'বিশ্বাস' ধরে রাখল কোন তৃণমূল? অভিষেক-মমতার ঘাসফুল শিবির, নাকি ঋতব্রতর 'তৃণমূল'?
বুধবার, ঋতব্রত যখন বিরোধী দলনেতার আসনে বসলেন বিধানসভায়, তখন বায়রন কোথায়? আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করলে সাগরদিঘির বিধায়ক সাফ জানিয়ে দেন, বুধে তিনিও ছিলেন বিধানসভায়। সঙ্গেই জানান, 'আমিও সই করেছি।' অর্থাৎ ঋতব্রত টিম-এর ৫৮ জনের মধ্যে, একজন সাগরদিঘির বিধায়ক। ৫০ সাক্ষরের মধ্যে একটি তাঁর।
বায়রন, ২০১৫ থেকে তৃণমূলে যাতায়াত করছেন। তৃণমূলে আসেন। শুভেন্দুর হাত ধরে। শুভেন্দু নিজেই বিজেপিতে চলে যান। বায়রন আবার ফিরে যান কংগ্রেসে। কংগ্রেসের টিকিটে ভোটের লড়াইয়ে জিতে যান। আবার আচমকা ফিরে আসেন তৃণমূলে। ২৬-এর ভোটের পরেই, বায়রন বলেছিলেন, তিনি আশঙ্কা করছেন, তিনি হারবেন। তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল বিস্তর। যদিও বায়রন জিতে যান। বিপুল ভোটে জিতে যান।
জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন, বিরোধী দলনেতার পরে বসেছেন বিক্ষুব্ধ, বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এক ঋতব্রতর সঙ্গে রইলেন চার উপদল নেতা। উপ-দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন শিউলি সাহা, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহা। এদিন বিধানসভার স্পিকার তাঁর হাতে বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবিও তুলে দেন। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বললেন, তাঁর ৫৮ বিধায়কের টিম, প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে চাইছেন মমতা ব্যানার্জিকেই। তাঁরা দফায় দফায় বসবেন বৈঠকে। ঠিক করবেন পরবর্তী রূপরেখা। সঙ্গেই স্পষ্ট বললেন, তাঁর টিম ৫৮ থেকে বেড়ে হবে ৬০। ৬০ জনের মধ্যে হতে পারে মতান্তর, কিন্তু মনন্তর হবে না কখনও।















