বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

East Bengal: জঘন্য ফুটবল, আবার হার ইস্টবেঙ্গলের

Sampurna Chakraborty | ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২২ : ২৪


ইস্টবেঙ্গল -

মুম্বই এফসি - (ইকের)

সম্পূর্ণা চক্রবর্তী: আবার হার। সুপার কাপের তাল আগের ম্যাচের কেটে গিয়েছে। এদিনও গুছিয়ে নিতে ব্যর্থ। মঙ্গলবার যুবভারতীতে মুম্বই সিটি এফসির কাছে ০-১ গোলে হারল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের একমাত্র গোল ইকের ভাল্লেজোর। আইএসএলে মোট সাত ম্যাচে জয় অধরা। টানা এগারো ম্যাচে অপরাজিত থাকার পর নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে হোঁচট খায় লাল হলুদ। এদিন ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ ছিল কার্লেস কুয়াদ্রাতের দলের সামনে। কিন্তু বিদেশি কমতেই শেষ কলকাতার প্রধান। ছন্নছাড়া দল নিয়ে শক্তিশালী মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব ছিল না ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে। বরং আরও বড় ব্যবধানে হারতে পারত লাল হলুদ। আইএসএলে ছয় ম্যাচে অপরাজিত থাকার পর জোড়া হার। প্রথমার্ধে মুম্বইয়ের কাছে আত্মসমর্পণ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। বিপক্ষের বক্সে বেশ কয়েকবার ঢুকে পড়েন নন্দকুমার, ফেলিসিওরা।‌ তবে গোটা ম্যাচে কোনও ওপেন চান্স নেই ইস্টবেঙ্গলের। পাসিং, রিসিভিংও জঘন্য। বরং মুম্বইয়ের গোল সংখ্যা না বাড়ার কৃতিত্ব দিতে হবে প্রভসুখন গিলকে। দুটো নিশ্চিত গোল সেভ করেন ইস্টবেঙ্গল কিপার। ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দশ নম্বরেই কুয়াদ্রাতের দল। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে উঠে এল মুম্বই সিটি। 

মাত্র দু"দিনের ব্যবধানে ম্যাচ। তারওপর মাত্র তিন বিদেশি। প্রথম একাদশে হিজাজি মাহের এবং ফেলিসিও ব্রাউন ফোর্বস। আঠারো জনের দলে ভিক্টর ভাস্কুয়েজ। কার্ডের জন্য ছিলেন না ক্লেইটন সিলভা। চোটের জন্য পাঁচ ম্যাচ মাঠের বাইরে সল ক্রেসপো। চোটের জন্য ছিলেন না পার্দো লুকাসও। প্রথম একাদশে ছ"টা পরিবর্তন করেন কুয়াদ্রাত।‌ রক্ষণ, মাঝমাঠে একাধিক বদল। আগের ম্যাচে জঘন্য রক্ষণের জন্য এদিন হিজাজির সঙ্গে গুরসিমরতকে জুড়ে দেন। মাঝমাঠেও আমূল পরিবর্তন। প্রথম থেকেই রক্ষণাত্মক ফুটবল লাল হলুদের। তবে ক্লেইটনের অনুপস্থিতি প্রকট ছিল। ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার না থাকায় গোল করার লোক ছিল না ইস্টবেঙ্গলে। আগেরদিন অভিষেকে গোল পেলেও মঙ্গল সন্ধেয় যথেষ্ট ম্লান দেখায় ফেলিসিওকে। প্রথমার্ধে একটা হাফ চান্স ছাড়া তাঁকে চোখেই পড়েনি। অবশ্য তেমন বলও পায়নি জার্মান-কোস্টারিকান। লাল হলুদের মাঝমাঠে কোনও বাঁধুনি ছিল না। ম্যাচের ৫ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত মুম্বই। বিক্রমের ক্রস থেকে ইকেরের শট বাঁচায় প্রভসুখন গিল। তবে বেশিক্ষণ দুর্গ অক্ষত রাখতে পারেননি। ম্যাচের ২৪ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। নোগুয়েরার পাস থেকে বাঁ পায়ে বল রিসিভ করেন ইকের। তারপর ডান পায়ের আলতো টোকায় গোলে ঠেলেন। প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বিরতির পর গোলের জন্য অলআউট ঝাঁপানোর বদলে দ্বিতীয়ার্ধে ডিফেন্ডারের সংখ্যা বাড়ান কুয়াদ্রাত। তবে তাসত্ত্বেও মুম্বই রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন নন্দ, মহেশরা।‌ ম্যাচের ৬০ মিনিটের মাথায় নামানো হয় ভিক্টর ভাস্কুয়েজকে। কিন্তু কয়েকটা টাচ ছাড়া উল্লেখ্যযোগ্য কোনও ভূমিকা নেই মেসির প্রাক্তন সতীর্থর। কোনও ওপেন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকিং ফোর্স। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত মুম্বই। কিন্তু জয়েস রানের হাতে বল লাগায় ইকেরের গোল বাতিল হয়ে যায়। শনিবার নিজামের শহরে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের। কার্ডের জন্য পাওয়া যাবে না মহেশ এবং নুঙ্গাকে। 

ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া