কৃশানু মজুমদার: তিনি আট নম্বর জার্সিধারী। কিংবদন্তি কৃশানু দে-র সঙ্গে তাঁর তুলনা হত। কৃশানু-বিকাশকে ইস্টবেঙ্গল থেকে তুলে নিয়েছিল মোহনবাগান।

একসময়ে কলকাতা ফুটবলের অলঙ্কার ছিল দলবদল। তা নিয়ে কালি খরচ হত। কিন্তু আইএসএলের আবির্ভাবের পর থেকে দলবদল নিয়ে আগের সেই উত্তেজনা নেই। কিন্তু এবার মরশুম শুরুর আগেই দলবদলের বাজারে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলের ঘর ভেঙে ব্রাজিলিয়ান জাদুকর মিগুয়েলকে ছিনিয়ে নিতে চলেছে সবুজ-মেরুন। সূত্রের খবর এমনটাই।  

আইএসএলের গোল্ডেন বল জয়ী ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েলের পিঠে উঠছে মোহনবাগানের সবুজ-মেরুন জার্সি।  

আইএসএলের ডার্বিতে মিগুয়েলের ফাইনাল পাস থেকেই গোল করেছিলেন এডমুন্ড। সব ঠিকঠাক থাকলে মোহনবাগানের জার্সিতে আগামী আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাঙবেন তিনি। ডিফেন্স চেরা থ্রু বেরোবে তাঁর পা থেকে। মিগুয়েল হাতছাড়া হলে দলবদলের বাজারে বিরাট ধাক্কা খাবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। 

সূত্রের খবর, ইস্টবেঙ্গলের কাছে মিগুয়েল যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছিলেন, তা লাল-হলুদ দিতে অপারগ। মোহনবাগান সেখানে লোভনীয় প্রস্তাব দিয়েছে মিগুয়েলকে। সেই প্রস্তাব মেনেই নিয়েছেন মিগুয়েল বলেই খবর। তাঁকে বিভিন্ন ভাবে আটকানোর চেষ্টাও করা হয়েছিল লাল-হলুদের তরফে। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। মোহনবাগানের সঙ্গে মিগুয়েলের চুক্তি ২ বছরের বলে সূত্রের খবর। 

ইস্টবেঙ্গলকে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন করার পিছনে বড় অবদান ছিল মিগুয়েলের। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ও হন তিনি। গোল্ডেন বল তিনি রেখে যান লাল-হলুদে। 

বহুদিন পরে মিগুয়েলকে নিয়ে দলবদলের বাজার জমে গেল। বলে দেওয়াই যায় ডার্বির বাঁশি বাজার আগেই ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়াল মোহনবাগান।