আজকাল ওয়েবডেস্ক: আর দিন কয়েকের অপেক্ষা। চলতি সপ্তাহান্তেই বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথগ্রহণ করবেন। ১৫ বছর পর বাংলায় পালাবদল। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে বসবেন, কে কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন, তা ঘিরেও জোর জল্পনা চলছে। পাশাপাশি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়েও জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।
বুধবার বিকেলে রাজ্যের পূর্বতন সরকারের প্রশাসনিক ভবন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, "সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ, যাঁরা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন, পদ্মভূষণ পেয়েছেন, তাঁরাও এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন। তাঁদের বর্ণময় উপস্থিতিতে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।"
এদিন তিনি আরও বলেন, "আজকের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, তাঁকেও স্পষ্ট জানিয়েছি, বিজেপিতে তৃণমূলীকরণ হবে না। আমরা জিতেছি, অথচ আমাদের দু'জন কর্মী শহিদ হয়েছেন। এই ফলটা যদি উল্টো হত, এতক্ষণে আমাদের ২০০ কর্মী খুন হয়ে যেত। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এগুলো ঘটছে। তৃণমূলের পতাকা নিয়ে, গেরুয়া আবির মেখে তৃণমূলের পার্টি অফিসে তালা লাগাচ্ছে। আমাদের দলের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল, পুরসভার দখলের চেষ্টা করলে, তাঁকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। পুলিশকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অত্যন্ত কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করুন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, ভয়ের আবহ কাটিয়ে ভরসা জায়গা তৈরি হবে।"
শমীক আরও জানিয়েছেন, শনিবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। দুই শতাধিক আসন পেয়ে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় বিজেপির। নতুন সরকার গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আগামী শনিবার, ৯ মে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথগ্রহণ করবেন।
আজ, বুধবার দুপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, "শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান। তার আগে ৮ মে বিধায়কদলের বৈঠক হবে নিউটাউন বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে।"
শনিবার ব্রিগেডে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানের আগেই নিরাপত্তা আঁটসাঁট করতেই ময়দানে নেমেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। কলকাতায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিমধ্যেই খুঁটিনাটি পরীক্ষা করতে এদিন হাজির হয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারা। ব্রিগেডেই বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথের জন্য মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হবে কিছুক্ষণেই। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হাজির থাকবেন এসপিজে আধিকারিকরাও।
















