আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিধানসভার পর লোকসভাতেও তৃণমূলে ফাটল ধরছে! এই জল্পনায় যখন তোলপাড় রাজ্য, রাজনীতি, সেই আবহেই আবারও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের।
আজ শনিবার সমাজমাধ্যমে কাকলি ঘোষ দস্তিদার লেখেন, "আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করব, কোনও প্রাক্তন সাংসদ বা বিধায়ক যেন আমাকে নিয়ে মন্তব্য না করেন। নিজের বক্তব্য নিজেই তুলে ধরার ক্ষমতা আমার রয়েছে।"
গতকাল শুক্রবারেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কাকলি লিখেছিলেন, 'রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে আসা, চার বারের সাংসদ, যিনি মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে থেকেছেন, লড়াই করেছেন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, তিনি কেবল নিজের স্বার্থের কথা ভাবেন বলে মনে হয়? এটি আসলে(সরকারের) নীতি ও শাসনের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে রায়।'
সূত্রের খবর, তৃণমূলের ১৮ জন সাংসদ আগামী ৮ জুন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করবেন। আর বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। লোকসভায় অভিষেক ব্যানার্জিকে তৃণমূলের দলনেতা মানতে নারাজ এই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। যা ঘিরেই চিঠি দেবেন তাঁরা। ওম বিড়লাকে চিঠি দেওয়ার পর লোকসভাতেও তৃণমূলের অন্দরের চিড় আরও স্পষ্ট হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ মে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলের ছন্নছাড়া দশা। একের পর এক নেতা জেলবন্দি। অনেকেই তৃণমূলের বড় পদ থেকেও সরে গিয়েছেন। কেউ কেউ সরে এসেছেন সক্রিয় রাজনীতি থেকে।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৮০টি আসনে জিতেছে। তা সত্ত্বেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির ডাকা বৈঠকে ৬০ জন অনুপস্থিত ছিলেন। চলতি সপ্তাহেই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানিয়ে স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দেওয়া হয়। তৈরি হয় ‘নব তৃণমূল মঞ্চ’। ঘোষণা কর হয়, এবার ঋতব্রতই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে লোকসভায়ও তৃণমূলে ভাঙন হতে চলেছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে তাঁকে সরানোর পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকেও একাধিকবার কটাক্ষ করেছেন কাকলির। কাকলির সঙ্গে কোন কোন সাংসদ রয়েছেন, তা নিয়েও জল্পনা বাড়ছে ক্রমশ।
















