আজকাল ওয়েবডেস্ক: ক্ষমতায় আসার আগে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পটিকে বাংলায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বড় ঘোষণা করলেন।
আজ বৃস্পতিবার বিধানসভায় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, "বর্তমানে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প যেমন চলছে, তেমনই চলেব। পয়লা জুন থেকে ধীরে ধীরে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে সংযুক্ত করা হবে এই রাজ্যে। তার কারণ বিভিন্ন নিয়ম ও আইন আছে সবদিক বিচার বিবেচনা করেই এই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে এই রাজ্যে কার্যকর করা হবে। তাড়াহুড়ো করে কোনও কিছু করতে গেলে যাঁরা এই প্রকল্পের উপভোক্তা আছেন, তাঁরা সমস্যায় পড়তে পারেন। সেই কারণে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প যেমন চলছে চলুক। পয়লা লা জুন থেকে ধীরে ধীরে এই প্রকল্পকে এই রাজ্যে প্রণয়ন করা হবে।"
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করার পরের দিনই রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মারফত তিনি জানান, ডবল ইঞ্জিন সরকার কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির সুবিধা মানুষের কাছে নির্বিঘ্নে পৌঁছে দেবে।
সোমবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালু করা হল। এই প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক যোগ্য পরিবার বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের আমার ভাই-বোনদের কল্যাণই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে রাজ্যের মানুষ বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। এই প্রকল্পে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের চিকিৎসা পাওয়া যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির সুবিধা মানুষের কাছে নির্বিঘ্নে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করবে।’ উল্লেখ্য, সোমবার মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেই, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী।
বৈঠক শেষেই তিনি পাঁচ মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করে, স্পষ্ট কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরেন। তাতে এক প্রকার স্পষ্ট, পুরনো সরকারের যেসব খামতির দিকে আঙুল তুলে, সুর চড়িয়ে, ক্ষমতায় এসেছেন, একেবারে শুরু থেকেই, সেদিকে নজর দিচ্ছেন তিনি। একদিকে যেমন প্রথম বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সীমান্ত সুরক্ষা প্রসঙ্গে, তেমনই সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের বয়স নিয়েও বিরাট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
















