আজকাল ওয়েবডেস্ক: ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে নতুন করে ফর্ম পূরণ করা যাবে। আগেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। ২৬ মে, কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকের পর, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বিরাট বার্তা দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন তিনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে জানান, আগামিকাল বিকেলে নবান্ন থেকে তিনি এবং মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে প্রকাশ করবেন ফর্ম। অন্নপূর্ণা যোজনায় পূরণ করতে হবে ওই ফর্মটিই। 

 

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, 'আমরা কালকেই বিস্তারিত বলব, এনরোলমেন্ট যত তাড়াতাড়ি করবেন, আমরা তত সুবিধা দিতে পারব। অন্নপূর্ণা যোজনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে কাল থেকে। যেমন যেমন ফর্ম পূরণ হবে, সেভাবে তিন হাজার ট্রান্সফার শুরু হয়ে যাবে। যতক্ষন না টাকা ট্রান্সফার হচ্ছে, স্বাস্থ্যসাথী যেমন আয়ুষ্মান ভারতে কনভার্ট না হওয়া পর্যন্ত চালু আছে, তেমনই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু থাকবে। বিস্তারিত কাল জানতে পারবেন।'

 

একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, 'মাথায় রাখতে হবে ভারতীয়রাই  কেবল এই সুযোগ পাবেন। অভারতীয়রা এই সুযোগ পাবেন না। ভারতবর্ষের  সরকারের টাকা বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেওয়ার জন্য নয়, এটা পরিষ্কার।' 

 

এদিনের বৈঠকের পর, কাকলির উপস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ''বিশেষ বিশেষ সাংসদদের ডাকব। আজ যেমন বারাসতের সাংসদকে ডেকেছি। আমাদের তো ডাকা হত না। আগে দক্ষ-যজ্ঞ চলত। কোটি কোটি টাকা খরচ হত প্রশাসনিক বৈঠকে। আমরা যতটা না করলেই নয়, ততটাই খরচ করছি। আমরা বিরোধীদের ডাকব।''

 

মঙ্গলবার সকালে কাকলি কল্যাণীতে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে হাজির হওয়ার পর থেকেই তাঁর বিজেপিতে পা বাড়ানোর জল্পনা বাড়তে থাকে। তাহলে কি আজই ফুলবদল কাকলির? যদিও এই প্রশ্নের উত্তরে কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, তাঁর কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার সঙ্গে কোনও দলীয় যোগাযোগ নেই। এটি নেহাতই প্রশাসনিক কর্মসূচি। সেই কারণেই তিনি উপস্থিত হয়েছেন।