সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

TMC: বাংলার বঞ্চনার অভিযোগে দিল্লিতে সরব তৃণমূল

Pallabi Ghosh | ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২২ : ২২


বীরেন ভট্টাচার্য, দিল্লি: বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার অভিযোগে সরব তৃণমূল। আজ দিল্লিতে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন দলের তিন সাংসদ সাকেত গোখলে, সাগরিকা ঘোষ এবং সুস্মিতা দেব। তাঁদের বক্তব্য, বাংলায় জয় হাসিল করতে না পেরে আর্থিকভাবে বঞ্চনা করছে মোদি সরকার। তৃণমূলের অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলা নয়, বঞ্চনার অভিযোগে সরব দেশের বিরোধী শাসিত রাজ্য কেরল, তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকও। আগামী ৮ মার্চ নরেন্দ্র মোদির সফরের সময় বাংলার মানুষ এবং তৃণমূল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ট্রেলার দেখাবে বলে জানিয়েছেন সুস্মিতা দেব। তৃণমূলের প্রশ্ন শুধুমাত্র নির্বাচনের সময়েই বাংলায় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাকি সময় কেন বাংলার কথা তাঁর স্মরণে আসে না? মমতা ব্যানার্জি সন্দেশখালিতে যাবেন তবে এখনও দিন ধার্য হয়নি বলে জানান সুস্মিতা দেব।
সাগরিকা ঘোষ বলেন, মোদি সরকার সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর কথা মুখে বললেও আদতে তা পরিণত হয়েছে বৈষম্যমূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয়। তিনি অভিযোগ করেন, যে সমস্ত রাজ্যে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার রয়েছে সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের মনোভাব একরকম এবং বিরোধী শাসিত রাজ্যে আরেকরকম। সাগরিকা বলেন, "কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে বাংলার বকেয়া টাকা দিচ্ছে না। এটি সংবিধান বিরোধী। মনরেগার শ্রমিক মজুরি পাননি মোদি সরকার বকেয়া না মেটানোয়। আবাসনের টাকা আটকে রাখায়, মানুষ তাঁদের মাথায় পাকা ছাদ পাননি।" তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের বকেয়া টাকা না দিয়ে এখন মোদি সরকার আধার কার্ড বাতিল করে তাঁদের মৌলিক পরিচয় কেড়ে নিতে চাইছে এবং বাংলার ভোটাধিকার হরণ করতে চাইছে। সাগরিকা বলেন, "আমরা ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে দিল্লি আসিনি, আমরা আমাদের অধিকারের টাকা চাইতে এসেছি।" তিনি বলেন, "নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি বাংলায় আসেন এবং নানান প্রতিশ্রুতি দেন। মানুষ যখন তাঁদের প্রাপ্য মজুরি চাইছিলেন, তখন তিনি কোথায় ছিলেন। বাড়ির জন্য যখন তাঁরা কাঁদছিলেন, সেই সময় তিনি কোথায় ছিলেন।" লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় খেলা হবে বলে জানিয়েছেন সাগরিকা ঘোষ। তাঁর কথায়, "আমরা এক দল, এক খাবার, এক পোশাক এই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি না। আমরা আমাদের বৈচিত্রময় রীতিনীতি বাঁচিয়ে রাখব।"
সাকেত গোখলে এদিন সন্দেশখালি নিয়ে দলের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করে দেন। তিনি বলেন, "দৈনিক কোনও না কোনও কমিশন, বিজেপির প্রতিনিধি বাংলায় আসছেন। শাহজাহান শেখকে গ্রেপ্তার করা এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এটা নীরব মোদি, মেহুল চোক্সির মতো ব্যাপার নয় যে, টাকা নিয়ে ভিন দেশে পালিয়ে যাবেন। এটা বিজেপি সরকার নয়।" তিনি বলেন, "বাংলার মানুষের মুখোমুখি হওয়ার মতোও তাঁর সাহস নেই।" সাকেতের কথায়, "প্রধানমন্ত্রী মোদির কি সাহস আছে যে মনরেগা এবং আবাসের উপভোক্তাদের সামনে দাঁড়িয়ে জবাব দেবেন যে, কবে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দেবে? যদি সাহস থাকে তাহলে করুন, আর যদি সেই সাহস না থাকে, তাহলে এখানে ওখানে মঞ্চ থেকে জুমলা এবং সার্কাস বন্ধ করুন।" সুস্মিতা দেব বলেন, "সন্দেশখালি নিয়ে কেন এতদিন নীরব ছিলেন বিরোধী নেতারা, কেন হঠাৎ করে ভোটের আগে সন্দেশখালির মহিলাদের জন্য চিন্তিত বিজেপি।"
সন্দেশখালি নিয়ে পদক্ষেপ করার জন্য মমতা ব্যানার্জিকে চিঠি দিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু সিং দেও। তার জবাবে এদিন তৃণমূলের সুস্মিতা দেব বলেন, "আগে তিনি নিজের রাজ্যের পরিস্থিতির দিকে নজর দিন। তারপর বাংলার দিকে নজর দেবেন।" সাগরিকা ঘোষ বলেন, "আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে সন্দেশখালিতে। সেখানে অনেকগুলি ক্যাম্প বসানো হয়েছে। সেখানে অভিযোগ শোনা হচ্ছে।"



বিশেষ খবর

নানান খবর

Earth day 2024 #Aajkaal #EarthDay2024 #EarthDay #aajkaalonline

নানান খবর



রবিবার অনলাইন

সোশ্যাল মিডিয়া