শনিবার ২০ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

East Bengal: ক্লেইটনের গোলে কষ্টার্জিত জয়, তিন ধাপ ওপরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল

Sampurna Chakraborty | ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২১ : ৫৯


ইস্টবেঙ্গল - (ক্লেইটন)

হায়দরাবাদ -

আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃত্ত সম্পূর্ণ। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আইএসএলের প্রথম জয় পেয়েছিলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। ছয় ম্যাচ পরে নিজামের শহরের দলের বিরুদ্ধেই আবার জয়ে ফিরল লাল হলুদ। শনিবার হায়দরাবাদকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের একমাত্র গোল ক্লেইটন সিলভার। কার্ড সমস্যা কাটিয়ে ফিরেই দলকে জেতালেন ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার। ১৪ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তিন ধাপ ওপরে লিগ টেবিলের অষ্টম স্থানে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। তবে হায়দরাবাদের তরুণ তুর্কিদের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়। লাস্টবয়দের বিরুদ্ধে কোনওরকমে জিতল ইস্টবেঙ্গল। দলের খেলায় খুশি হতে পারবেন না কুয়াদ্রাত। ইস্টবেঙ্গলের নাভিশ্বাস তুলে দেয় ছোটে, রাবি, হামাররা। যেকোনও দলই জিততে পারত। কিন্তু নৈপুণ্যের অভাব থংবয় সিংটোর ছেলেদের। পাঁচ ম্যাচে গোলমুখ খুলতে ব্যর্থ হায়দরাবাদ। অবশ্য গোলের সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গলও। কিন্তু রক্ষণে অনবদ্য অ্যালেক্স সাজি। মূলত তাঁর জন্যই এদিন গোল ব্যবধান বাড়েনি। তবে ম্যাচের ইনজুরি টাইমে সুহেরকে ফাউল করে জোড়া হলুদ কার্ড (লাল) দেখে মাঠ ছাড়েন সাজি। নয়তো ম্যাচের সেরা হতে পারতেন। অন্তিমলগ্নে লালকার্ড (জোড়া হলুদ) দেখে মাঠ ছাড়েন জোয়াও ভিক্টরও। শেষ এক মিনিট ন"জনে খেলে হায়দরাবাদ।

কথা মতো চার বিদেশিকে রেখেই শুরু করেন কুয়াদ্রাত। কিন্তু জয়সূচক গোল ছাড়া উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল না ক্লেইটনের। প্রথমার্ধে তাও কয়েকবার বক্সের মধ্যে দেখা গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে খুব একটা চোখে পড়েনি। ফেলিসিও তথৈবচ। তাঁর গায়ের সঙ্গে ডাকটিকিটের মতো সেঁটে থাকেন অ্যালেক্স সাজি। বল পেলেই তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাতেই ঠুঁটো জগন্নাথ জার্মান-কোস্টারিকান। হিজাজিও বেশ কয়েকটা ভুল করেন। বিদেশিদের মধ্যে এদিন তুলনায় ভাল পারফরম্যান্স ভিক্টর ভাস্কুয়েজের। বেশ কয়েকটা আক্রমণে অংশ নেন। কয়েকটা মাপা বলও বাড়ান। ৯০ মিনিট খেলেন মেসির প্রাক্তন সতীর্থ। প্রথমার্ধে তুলনায় ইস্টবেঙ্গলের সুযোগ থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধ হায়দরাবাদের। ম্যাচের ২ মিনিটের মাথায় সুযোগ এসেছিল তাঁদের সামনে। ছোটের শট প্রভসুখন গিলের গায়ে লাগে। ম্যাচের ১১ মিনিটে ক্লেইটন সিলভার গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। বাঁ দিক থেকে নিশু কুমারের ক্রসে নিখুঁত হেড ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারের। ম্যাচের ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু অনবদ্য সেভ অ্যালেক্স সাজির। ফোর্বসের পাস থেকে ক্লেইটনের শট প্রায় গোললাইন থেকে ফেরত পাঠান হায়দরাবাদের ডিফেন্ডার। তার পাঁচ মিনিট পর আবার সুযোগ। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে ভাস্কুয়েজের মাপা সেন্টার থেকে বাইরে হেড করেন হিজাজি। 

বিরতির পর খানিকটা গুটিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। দলের চার বিদেশির মধ্যে তিনজনের বয়সই তিরিশের বেশি। ক্লান্তি এবং হায়দরাবাদের আদ্রতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি আক্রমণাত্বক ফুটবল খেলে হায়দরাবাদ। ভাগ্য সঙ্গে থাকলে গোলও পেয়ে যাওয়ার কথা। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত হোম টিম। কিন্তু ছোটের পাস থেকে ফাঁকায় গোল পেয়েও বাইরে মারেন সানি। তার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আবার সুযোগ। এবার ছোটের শট বাঁচান প্রভসুখন গিল। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে জোয়াও ভিক্টরের শট বাইরে যায়। মোহনবাগান ম্যাচে বিনা বিদেশিতে দল সাজিয়েছিলেন সিংটো। কিন্তু এদিন একমাত্র বিদেশি ছিলেন জোয়াও। ভাল খেললেও দলের পরিত্রাতা হতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নীচে ব্যস্ত থাকেন প্রভসুখন। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে জেরেমির হেড পোস্টে লাগে। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের একটাই পজিটিভ সুযোগ। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে নন্দকুমারের শট আটকান সাজি। ভাগ্যের জোরে হায়দরাবাদ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরছেন কুয়াদ্রাত। 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর



রবিবার অনলাইন

সোশ্যাল মিডিয়া