শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Bangladesh-Netherlands: ইডেনে কমলা ঝড়, কলকাতায় হার বাংলার বাঘদের

Sampurna Chakraborty | ২৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৬ : ৪১


সম্পূর্ণা চক্রবর্তী: ইডেনের সবুজ গালিচায় কমলা ঝড়। ফুটবলের পর ক্রিকেটেও কি ডাচ আধিপত্যের শুরু? আরও একটি টেস্ট খেলিয়ে দেশকে হারাল মিনোসরা। বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তনের মঞ্চ তৈরি ছিল। কিন্তু উলাট-পুরান। কলকাতায় বাংলার বাঘদের পতন। ধারে-ভারে, সমর্থনে অনেক এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। ঢাকা, মিরপুর, চট্টগ্রাম থেকে প্রচুর সমর্থক হাজির ছিল ইডেনে। কিন্তু আরও একটি ব্যর্থতার সামিল থাকলেন তাঁরা। চলতি বিশ্বকাপে টানা পাঁচ হার বাংলাদেশের। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স ওপার বাংলার দলের। সাতবার বিশ্বকাপ খেলা দল হারল নবাগতদের কাছে। বিশ্বমঞ্চে ডাচদের চতুর্থ জয়।


ব্যাটে-বলে সব বিভাগেই ব্যর্থতা শাকিবদের। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ২২৯ রানে অলআউট হয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। জবাবে ৪২.২ ওভারে ১৪২ রানে শেষ বাংলাদেশের ইনিংস। ৮৭ রানে জিতল ডাচরা। দক্ষিণ আফ্রিকার পর আরও একটি অঘটন। ইডেনে রান তাড়া করে জেতা সহজ নয়। এদিন স্নায়ু ধরে রাখতে ব্যর্থ শাকিব আল হাসানরা। আবার ব্যর্থ বাংলাদেশের অধিনায়ক। অন্যদিকে ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের ৬৮ রানে ভর করে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় নেদারল্যান্ডস। বল হাতে বাকি কাজটা সারেন পল ভ্যান মিকারেন। ২৩ রানে ৪ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরাও তিনি। বাংলাদেশের টানা ব্যাটিং ব্যর্থতায় তামিম ইকবালের অনুপস্থিতি আরও প্রকট হচ্ছে। 


এদিন টসে জিতে ব্যাটিং নেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক স্কট। কিন্তু শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি। টপ অর্ডার আবার ফ্লপ। ৬৩ রানে ৪ উইকেট হারায় ডাচরা। এই জায়গা থেকে অধিনায়কোচিত ইনিংস স্কট এডওয়ার্ডসের। তাঁর ব্যাটে ভর করেই ২২৯ রানে পৌঁছয় নেদারল্যান্ডস। ৬টি চারের সাহায্যে ৮৯ বলে ৬৮ রান করেন। তবে বাংলাদেশের জঘন্য ফিল্ডিংয়ের জন্য দু'বার প্রাণ ফিরে পান ডাচ অধিনায়ক।


নয়তো আরও কম রানেই শেষ হয়ে যেতে পারত ডাচদের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ওয়েসলি বারেসির (৪১)। শেষদিকে গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন সাইব্র্যান্ড এঞ্জেলব্রেচট (৩৫) এবং লোগান ভ্যান বিক (২৩)। জোড়া উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান এবং মাহেদি হাসান। বোলাররা শুরুটা ভাল করলেও জঘন্য ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিতে হল। 

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে শাকিবদের ব্যাটিং। আবারও ব্যর্থ লিটন দাস। কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলে যাওয়া বাংলাদেশের ওপেনারের থেকে ভাল শুরু প্রত্যাশা করা হয়েছিল। কিন্তু চেনা মাঠে, পরিচিত পরিবেশেও রান পাননি লিটন। মাত্র ৩ রানে ফেরেন। ব্যর্থ তানজিদ হাসানও (১৫)। এলেন এবং গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত (৯), শাকিব আল হাসান (৫), মুশফিকুর রহিম (১)। মিডল অর্ডার ডাহা ব্যর্থ। ৭০ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এই জায়গা থেকে কামব্যাক কোনও সম্ভাবনা ছিল না। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান মেহিদি হাসান মিরাজের। ১টি ছয়, ৫টি চারের সাহায্যে ৪০ বলে ৩৫ রান করেন। শেষদিকে মাহমুদুল্লাহ (২০), মুস্তাফিজুরের (২০) দক্ষিণ্যে দেড়শো রানের কাছাকাছি পৌঁছয় বাংলাদেশ। তবে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি। ৪২.২ ওভারে ১৪২ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। আরও একটি লজ্জার হার। বিশ্বকাপের আগে দলের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব, তামিমের বাদ পড়া শাকিবদের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ। 

ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া