তীর্থঙ্কর দাস: শুভ্রদীপ ঘোষ। গড়িয়ার বাসিন্দা। কর্মসূত্রে এখন রয়েছেন শ্রীহরিকোটায়। শুভ্রদীপ চন্দ্রযান ২ এবং ৩-এর সঙ্গে বিশেষভাবে জড়িত। চন্দ্রযানের পাশাপাশি ইসরোর প্রথম সূর্য অভিযান আদিত্য এল-১ এও বাঙালি এই বিজ্ঞানীর অবদান রয়েছে। ভারতের লঞ্চপ্যাডের গ্রাউন্ড সিস্টেমে কাজ করেন বাঙালি এই বিজ্ঞানী। পাঠভবন থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি হেরিটেজ কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন। তারপর আইআইটি গুয়াহাটি থেকে স্নাতকোত্তর হন।
ইসরোর এই বিজ্ঞানী তৈরি করে ফেলেছেন এমন এক যন্ত্র যেটা দিয়ে চোখের জল থেকে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা সম্ভব। ভারত সরকার অনুমোদন দিয়েছে শুভ্রদীপের এই যন্ত্রটিকে। একটি জনপ্রিয় বাংলা রিয়েলিটি শো-তে এসে বিজ্ঞানী তাঁর এই গবেষণা এবং আবিষ্কারের কথা জানান। শুভ্রদীপ বলেন, "প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ডিভাইসে চোখের জল ফেললেই বলা সম্ভব কতটা ডায়াবেটিস শরীরে রয়েছে।" আগামীতে এই যন্ত্র বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে শুভ্রদীপের। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই যন্ত্র বানানোর কথা ভাবেন তিনি। আজকাল ডট ইনকে জানান, আরও কিছু নতুন আবিষ্কারের কাজ তিনি করছেন যা কিছুদিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে আনবেন। নতুন ডায়াবেটিস যন্ত্রের পেটেন্টও একমাত্র রয়েছে শুভ্রদীপ ঘোষের কাছে।
ইসরোর এই বিজ্ঞানী তৈরি করে ফেলেছেন এমন এক যন্ত্র যেটা দিয়ে চোখের জল থেকে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা সম্ভব। ভারত সরকার অনুমোদন দিয়েছে শুভ্রদীপের এই যন্ত্রটিকে। একটি জনপ্রিয় বাংলা রিয়েলিটি শো-তে এসে বিজ্ঞানী তাঁর এই গবেষণা এবং আবিষ্কারের কথা জানান। শুভ্রদীপ বলেন, "প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ডিভাইসে চোখের জল ফেললেই বলা সম্ভব কতটা ডায়াবেটিস শরীরে রয়েছে।" আগামীতে এই যন্ত্র বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে শুভ্রদীপের। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই যন্ত্র বানানোর কথা ভাবেন তিনি। আজকাল ডট ইনকে জানান, আরও কিছু নতুন আবিষ্কারের কাজ তিনি করছেন যা কিছুদিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে আনবেন। নতুন ডায়াবেটিস যন্ত্রের পেটেন্টও একমাত্র রয়েছে শুভ্রদীপ ঘোষের কাছে।
