বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Mohun Bagan: এএফসিতে থামল বিজয়রথ, বসুন্ধরার কাছে হার মোহনবাগানের

Sampurna Chakraborty | ০৭ নভেম্বর ২০২৩ ১৬ : ১৯


মোহনবাগান - (লিস্টন)

বসুন্ধরা কিংস - (মিগুয়েল, রবিনহো)

আজকাল ওয়েবডেস্ক: এএফসিতে প্রথম হার। ১০ ম্যাচ পর থামল বিজয়রথ। মঙ্গলবার ঢাকায় বসুন্ধরা কিংসের কাছে ১-২ গোলে হারল মোহনবাগান। এক গোলে এগিয়েও জোড়া গোল হজম। হারের ফলে দু"নম্বরে নেমে গেল কলকাতার প্রধান। ৪ ম্যাচে দু"দলের পয়েন্ট সাত হলেও হেড টু হেডে এগিয়ে বাংলাদেশের দল। যার ফলে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে কলকাতায় ওড়িশার বিরুদ্ধে জিততেই হবে মোহনবাগানকে। এদিন প্রথমার্ধ সেয়ানে সেয়ানে। কেউই কাউকে একচুল জমি ছাড়েনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধ পুরোপুরি বসুন্ধরার। বিরতির পর ছন্দপতন ঘটে মোহনবাগানের। হাতেগোনা সুযোগ মাত্র। সেখানে দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে অস্কার ব্রুজনের দল। ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। দিমিত্রি পেত্রাতোসের না থাকা বড় ক্ষতি বাগানের। 

ছোট স্টেডিয়াম, খারাপ মাঠ। কিন্তু দর্শক আসন ঠাসা। ঘরের মাঠে ড্র করায় গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে জিততেই হত মোহনবাগানকে। এদিন কামিন্সের পাশে আর্মান্দো সাদিকুকে প্রথম একাদশে রাখেন জুয়ান ফেরান্দো।‌ ফরমেশন একই। প্রথম থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। অলআউট ঝাঁপায় দুই দলই। ম্যাচের ৫ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানের প্রথম সুযোগ। সাইড নেটে মারেন মনবীর। তার দেড় মিনিটের মধ্যে জোড়া সুযোগ বসুন্ধরার। প্রথমবার গোল ছেড়ে বেরিয়ে বল ক্লিয়ার করেন বিশাল। দ্বিতীয়বার নাসিমেন্টোর শট ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁচান বাগান কিপার। এরপরও সিটার নষ্ট। ম্যাচের ১৭ মিনিটে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। শুভাশিসের থ্রু ধরে কামিন্সের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁচান বসুন্ধরা গোলকিপার শ্রাবণ। কিন্তু বল পড়ে লিস্টনের পায়ে।ডান পায়ের শটে ফিরতি বল ফাঁকা গোলে ঠেলেন বাগানের মিডিও। এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর বাগানের খেলায় আত্মবিশ্বাস বাড়ে। দুই উইং দিয়ে আক্রমণে উঠছিলেন লিস্টন, মনবীর। যার ফলে প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়। ম্যাচের ২৭ মিনিটে কামিন্সের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে প্রশংসা করতেই হবে বসুন্ধরার গোলকিপার হাসান শ্রাবণের। তেকাঠির নীচে অনবদ্য তিনি। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ডবল সেভ শ্রাবণের। প্রথমে সাদিকুর শট বাঁচান বসুন্ধরা কিপার। কিন্তু বল বেরিয়ে যায় তাঁর হাত থেকে। সুযোগসন্ধানী কামিন্স ফিরতি বল গোলে ঠেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু অনবদ্য সেভ শ্রাবণের। 

বিরতির ঠিক আগে সমতা ফেরায় বসুন্ধরা। ৪৪ মিনিটে ১-১ করেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা। দিদিয়েরের পাস ডান পায়ে রিসিভ করে টার্ন নিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল। ভুবনেশ্বরে প্রথম পর্বের ম্যাচে মিগুয়েলের গোলেই ম্যাচ ড্র হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধেও আগ্রাসী মেজাজে শুরু করে দুই দলই। ৪৮ মিনিটে লিস্টনের শট বাঁচায় বিপক্ষের কিপার। তার দু"মিনিটের মাথায় মিগুয়েলের বাঁ পায়ের শট বাঁচান বিশাল। পরের মুহূর্তেই রবিনহোর শট পোস্টে লাগে। বিরতির পর বেশি দাপট ছিল বাংলাদেশের দলের। ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর থেকেই খেলার রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় বসুন্ধরা। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝড় তোলে। বলের দখলও বাংলাদেশের দলের বেশি ছিল। ঘরের মাঠে ১২ ম্যাচ অপরাজিত বসুন্ধরা। এদিনও সেই রেকর্ড অব্যাহত। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে বিশালকে সামনে একা পেয়েও বাইরে মারেন মিগুয়েল। কিন্তু মুহুর্মুহু আক্রমণে গোল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বসুন্ধরাকে। ম্যাচের ৮০ মিনিটে নাসিমেন্টোর পাস থেকে নিখুঁত প্লেসিংয়ে জয়সূচক গোল রবসন ডি সিলভার, যিনি রবিনহো নামে পরিচিত। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো খেলা থেকে হারিয়ে যায় বাগান। কামিন্সের কাছে বলই যায়নি। দ্বিতীয় গোল হজমের পর বাকি সময়টা ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা ছিল না ফেরান্দোর দলের। 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া