বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

MAMATA: রাজ্য সরকারই আবাসের ব্যবস্থা করে দেবে: মমতা#উত্তরবঙ্গ

Sumit | ০২ এপ্রিল ২০২৪ ১৬ : ৩৮


অতীশ সেন, ডুয়ার্স: মঙ্গলবার বিকেলে ডুয়ার্সের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ক। চালসার গৌরীগাঁওয়ের মার্সি ফেলোশিপ চার্চে প্রার্থনা ও বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কেন্দ্রকে আক্রমণ করার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষুদ্র চা চাষীদের চায়ে কীটনাশক থাকার কারণে চা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি তাঁদের থেকে চা পাতা নেবে না বলে জানিয়েছে। এই বিষয়ে চিন্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাট উৎপাদনকারীদের সমস্যা, একশো দিনের টাকা, আবাস যোজনার টাকা না পাওয়ার জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করে তিনি জানান নির্বাচনী আচরণবিধি পেরিয়ে গেলে তিনি এই সমস্যাগুলির সমাধান করে দেবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী একেবারে চেনা মেজাজে ছিলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে দীর্ঘ সময় কথা বলে তাদের সমস্যা জানার পাশাপাশি আদিবাসী নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মেলানোর পাশাপাশি ধামসা-মাদল বাজাতেও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা যায়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দার্জিলিং থেকে অনিত থাপা এসেছিলেন তার সঙ্গে দেখা করতে, দার্জিলিংয়ের বিষয়েও তাঁর সাথে কথা হয়েছে। অনিত তাঁকে বলেছেন - চায়ে রাসায়নিক কীটনাশক থাকার কারণে ক্ষুদ্র চা চাষীদের চা নেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে, এর ফলে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রায় আট-দশ লক্ষ মানুষের জীবিকাহীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন এটা ভোটের আগে বিজেপি করাচ্ছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী এসে ছয়টি বন্ধ চা বাগান খোলার ঘোষণা করেছিলেন, বিজেপি এমনই করে, প্রথমে তারা বন্ধ করে পরে আবার চালু হওয়ার ঘোষণা করে। নির্বাচন বিধি চলার কারণে তিনি এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না। তিনি ইতিমধ্যেই আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন, শ্রম মন্ত্রীর সাথেও কথা বলেছেন। চা চাষীদের রাসায়নিক কীটনাশক বন্ধ করার সময় দেওয়া প্রয়োজন। পাট আর নেওয়া হবে না বলেও বিজেপির লোকজন প্রচার করছে, পাট চাষীদেরও তিনি আশঙ্কা না করার কথা জানান। 
এরই পাশাপাশি তিনি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে বলেন- রিলিফ ক্যাম্পে যারা রয়েছে তাঁরা সকল সুবিধাই পাচ্ছে, যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন তাঁদের সমস্যাও প্রশাসন দেখছে। দূর্যোগে দূর্ভোগে বৈষম্য করা হয় না, প্রশাসন মানবিক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন - "বিজেপি নেতারা খেয়ে-দেয়ে, ঘুমিয়ে, আরাম করে পরে মানুষের কাছে যায়। প্রধানমন্ত্রী বিজেপি কার্যকর্তাদের বলেছেন- ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে যেতে, তাঁরা কি সেখানে গিয়ে টাকা দিয়ে আসবেন? আমি তো তৃণমূল নেতা-কর্মীদের যেতে বলি নাই, প্রশাসন নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে।" বিজেপি নতুন করে কোনও কাজই করে নাই, বিভিন্ন প্রকল্পের ন্যায্য পাওনা আটকে রেখেছে, এখন রেলে কেবল প্রলেপ লাগানো ও গেরুয়া রঙ করা হচ্ছে, তিনি রেল মন্ত্রী থাকাকালীন যে সমস্ত পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, সেগুলিরই রূপায়ণ চলছে। তিনি এলাকার সমস্যা দেখে গেলেন, নির্বাচন বিধি পেরিয়ে গেলে তিনি সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ করবেন।



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া