আজকাল ওয়েবডেস্ক: হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে শেষপর্যন্ত শেষ ষোলোর যোগ্যতা অর্জন করেছে আর্জেন্টিনা। রেকর্ডের রাত লিওনেল মেসির। কিন্তু মন জিতে নিয়েছে কেপ ভার্দে। টাইব্রেকারে গেলে কী হত বলা মুশকিল। কারণ আফ্রিকার দীপরাষ্ট্রের গোলের নিচে ছিলেন দুরন্ত ছন্দে থাকা ভোজিনহা। অবশ্য আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ আগের বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে পরিত্রতার ভূমিকায় ছিলেন। তবে এবার এখনও তেমন পরীক্ষিত নন। তাই অঘটনের সম্ভাবনা ছিলই। সেই পর্যন্ত অবশ্য যেতে হয়নি। তার আগেই ১২০ মিনিটে খেলার ফয়সালা হয়। তাতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন মেসি থেকে স্কালোনি। তবে মাত্র পাঁচ লক্ষের একটি দেশ যে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের নাজেহাল করে ছাড়বে, সেটা কে ভেবেছিল!
কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন লিওনেল মেসি। দাবি করেন, তাঁরা জানতেন ম্যাচটা কঠিন হবে। কিন্তু পাশাপাশি এও জানতেন, কষ্ট করার পর কিভাবে ম্যাচটা বের করে আনতে হয়। ইনস্টাগ্রামে মেসি লেখেন, 'আমরা জানতাম ম্যাচটা কঠিন হবে। তবে কষ্ট করে হলেও, কীভাবে ম্যাচটা জিততে হবে, সেটাও জানতাম। স্পেন এবং উরুগুয়ের পয়েন্ট কাড়া সহজ নয়। কেপ ভার্দে ফ্লুকে সেটা পায়নি। খেলে অর্জন করতে হয়েছিল। তাই প্রথম গোল পাওয়া নিয়ে ভাবনায় ছিলাম। গোলের পর ভেবেছিলাম এবার কিছুটা সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু উল্টো হয়। অনেকেই ভাবে অনামী প্রতিপক্ষ সাধারণত দুর্বল হয়। কিন্ত সেটা নয়। বিশ্বকাপের মঞ্চে সব দল সমান।'
ভুলত্রুটি শুধরে মহম্মদ সালাহদের বিরুদ্ধে নামার প্রস্তুতি শুরু করে দেবে আর্জেন্টিনা। এদিন গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন মেসি। বিশ্বকাপে নিজের ২০তম গোল। সাত গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আবার বাকিদের পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবং লুকা মডরিচের দ্বৈরথের পর শনিবার রাতে কিলিয়ান এমবাপে ও আরলিং হালান্ডের ডুয়েল দেখার জন্য তৈরি বিশ্ববাসী। তারপর মেসি-সালাহ লড়াইয়ের জন্য রাত জাগবে ফুটবলপ্রেমীরা।
















