বংশী চন্দ্রগুপ্তকে নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণের সময় মৃণাল সেনের সঙ্গে পরিচয় তরুণ পরিচালক অরিন্দম সাহা সরদারের। সেই সূত্রেই অরিন্দম একদিন সরাসরি ওঁর বাড়িতে, মুখোমুখি। মাত্র ৩০ মিনিট সময়ে মিলেছিল। ক্যামেরায় অরিন্দমের সঙ্গী ছিলেন ঋষিতা। সিনেমাটোগ্রাফিতে স্নাতকোত্তর। শিখেছেন সৌমেন্দু রায়ের কাছেও। একটি মেয়ে সিনেমাটোগ্রাফিকে পেশা করেছে দেখে খুব খুশি হলেন। জানালেন, ওঁরও ইচ্ছে ছিল একজন মহিলা সিনেমাটোগ্রাফারকে নিয়ে কাজ করার। বললেন, একজন মেয়ের চোখ দিয়ে সমাজ, জীবনকে দেখা, সেটাই হবে উপরি পাওনা। অরিন্দমদের কাজ দেখে খুব খুশি হন মৃণাল। আধ ঘণ্টার সময়সীমা পেরিয়ে যায় কথায়, গল্পে। স্ত্রী গীতাকে ডেকে এনে আলাপ করিয়ে দেন। বংশী প্রসঙ্গ থেকে ওঁর ফরিদপুর, কলকাতা, উত্তরপাড়া, প্রণয়, সিনেমাযাপনের কথা ভাগ করে নেন তরুণ বন্ধুদের সঙ্গে। একজন আপসহীন, চলচ্চিত্রশিল্পী ও ব্যক্তি মৃণাল সেন গাম্ভীর্য উড়িয়ে, খ্যাতি–‌যশ সরিয়ে অন্যভাবে ধরা দিলেন। আজও অরিন্দমের মণিকোঠায় ধরা সেই সুখস্মৃতি। সঙ্গের ছবিটি অরিন্দমের সৌজন্যে পাওয়া।

জনপ্রিয়

Back To Top