নাচনীরা ঝুমুর গানের সঙ্গে নাচেন। নাচনীদের মৃতদেহ এক সময় সৎকার না করে দড়ি বেঁধে টানতে টানতে জঙ্গলে ছুড়ে ফেলে আসা হত। সেই প্রান্তিক অূ্বস্থা থেকে তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ২০০২ সালে। মালাবতী, সিন্ধুবালা, পোস্তবালাদের মতো নাচনীদের লোকনৃত্য শিল্পী হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। আর এ বছর তো পোস্তবালাকে রাজ্য সরকার লালন পুরস্কারে সম্মানিত করেছে। উৎসবের আনন্দ পৌঁছে দিতে পুরুলিয়ার অনিকেত সংস্থা ডিয়ার পার্ক এলাকায় পোস্তবালা দেবীর আস্তানায় ১০ অক্টোবর, বুধবার এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সেখানে ৫৫ জন দুঃস্থ নাচনী শিল্পীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে শাড়ি এবং অন্যান্য উপহার। করা হবে অর্থ সাহায্যও। খাওয়াদাওয়া তো আছেই। উপস্থিত থাকবেন অভিনেতা বাদশা মৈত্র, লোকসংস্কৃতি গবেষক দুর্গা দত্ত, কবি নির্মল হালদার। বৃহস্পতিবার অনিকেতের উদ্যোগেই প্রকাশিত হবে দীপ্তিশিখা দাসের প্রথম কবিতার বই ‘আমি অসমাপ্তিকা’।

জনপ্রিয়

Back To Top