বিজ্ঞান মানে যুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠা। তাই সাধারণ মানুষের কথা বাদ দিলেও বিজ্ঞান নিয়ে পড়া, ডিগ্রি অর্জন, গবেষণা করা, অধ্যাপনা করা, এমনকি মস্ত, চিকিৎসক বা বিজ্ঞানী হয়ে ওঠা মানে তাঁদের মধ্যে বিজ্ঞান‌মনস্কতাও গড়ে উঠবে, এমনটাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু সেই স্বাভাবিকতাকে বুড়ে আঙুল দেখিয়ে বিজ্ঞান চর্চাকারীরা দিব্যি কুসংস্কার ও অবৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনাকে সযত্ন লালন করে থাকেন। মূলত এই অবক্ষয়ের জায়গাটা থেকে সাধারণ মানুষকে যুক্তিবাদী করে তুলতে, কুসংস্কার মুক্ত করে তুলতে প্রকাশিত হতে থাকে উৎস মানুষ পত্রিকা। সেই ৮০ সালে। অশোক বন্দ্যোপাধ্যায় সমমনা কয়েকজনকে নিয়ে প্রকাশ করতে থাকেন পত্রিকা, বই, আয়োজিত হয় বার্ষিক আড্ডা। যা আলোড়ন ফেলে শহর থেকে গ্রামে। শুরু হয় এক বিজ্ঞান আন্দোলনের। সেই পত্রিকার প্রয়াত সম্পাদক অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরণে প্রতি বছর আয়োজিত হয় স্মারক বক্তৃতা এবার তা একাদশ বর্ষে। বক্তা বিশিষ্ট চিকিৎসক গৌতম মিস্ত্রী। বিষয়:‌ ‘‌নাড়ি–‌টেপা ডাক্তারি–‌র দিন আজ আর নেই।’‌ ১৬ নভেম্বর, শনিবার, কলেজ স্ট্রিটের মহাবোধি সোসাইটি হলে, বিকেল চারটেয়। প্রবেশ অবাধ।

জনপ্রিয়

Back To Top