আলঝাইমার্স, ভাস্কুলার ডিমেনশিয়া, ফ্রন্টো–‌টেম্পোরাল ডিমেনশিয়া, লিউই বডি ডিমেনশিয়া ইত্যাদি মস্তিষ্কের ব্যাধি, যা মানুষের স্মৃতি, চিন্তাভাবনা, কর্মক্ষমতা, আচার–‌ব্যবহার, ব্যক্তিত্ব, আবেগের প্রকাশ ইত্যাদির ওপর নিদারুণ আঘাত হানে। মস্তিষ্কের এই অবক্ষয় জনিত রোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্রমবর্ধমান, অপ্রতিরোধ্য। এই ধরনের উপসর্গগুলোকে একসঙ্গে বলে ডিমেনশিয়া। স্মৃতি ঝাপসা থেকে ক্রমশ লোপ পেতে থাকে, চেনা লোক, চেনা জিনিস, চেনা জায়গা চিনতে না–‌পারা, জিনিসপত্র ভুল জায়গায় রাখা, কথা বলার সময় খেই হারিয়ে ফেলা, রাস্তায় বেরিয়ে পথ হারিয়ে ফেলা ইত্যাদি— সবই উপসর্গ। গোটা পৃথিবীতেই এই রোগ বাড়ছে। প্রতি তিন সেকেন্ডে একজন আক্রান্ত হচ্ছেন। দ্রুত রোগ নির্ণয় হলে অবক্ষয়ের গতি কিছুটা কমানো যায়, উপসর্গের তীব্রতা কমানো যায়, তার জন্য চাই সচেতনতা। সেই কাজেই এগিয়ে এল বন্ধন, মানস ও মন ফাউন্ডেশন, সঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। উদ্যোগ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ড.‌ সুস্মিতা চক্রবর্তীর। শতবার্ষিকী ভবনের নবম তলে আলোচনায়  অংশ নিলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জ্যোতির্ময় সমাজদার, অধ্যাপক অরবিন্দ মাইতি, জহওহর লাল রায়, দীপালি পাতি প্রমুখ।

জনপ্রিয়

Back To Top