আজকালের প্রতিবেদন
ভারতীয় িহমালয়ের সর্বোচচ শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। তার মাথায় সূর্যোদয় দেখার জন্য পর্যটকদের রাত শেষে আর টাইগার হিলে যাওয়ার কষ্ট করতে হবে না। চাইলে আগের থেকেই টাইগার হিলে থাকতে পারবেন। সেজন্য টাইগার হিলে পর্যটক আবাস বানাচ্ছে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর। বুধবার ২০১৭–১৮ সালের দপ্তরওয়াড়ি ব্যয়বরাদ্দ মঞ্জুর করাতে গিয়ে এ কথা বলেছেন ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী গৌতম দেব। তিনি আরও জানান, অযোধ্যা পাহাড়ে রোপওয়ে করা হচ্ছে। নদীবক্ষে পর্যটন বাড়ানোর জন্যে বেশ কিছু জলযান কেনা হচ্ছে। তিনি বলেন, সারা বিশ্ব জুড়েই পর্যটন একটি আধুনিক ক্রবর্ধমান শিল্প। ওই শিল্প প্রসারে সবথেকে বেশি দরকার শান্তি ও শৃঙ্খলা। জঙ্গলমহল থেকে পাহাড় বাম আমলে ছিল অশান্ত ও বিশৃঙ্খল। মু্খ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে এ রাজ্যে জঙ্গল থেকে পাহাড়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরেছে। তাই পর্যটন বাড়ছে। রাজ্যে পর্যটন দপ্তরের ব্যয়বরাদ্দ আগের তুলনায় বহুগুণ বেড়েছে। কংগ্রেস বিধায়ক অপূর্ব সরকার রাজ্যে পর্যটনের নতুন নতুন দিক উন্মোচনের কথা বলেন। চিরাচরিত মন্দির, উঁচু–‌নিচু জঙ্গল এলাকা কিংবা ইংরেজ আমল থেকে চলে আসা পাহাড়ি পর্যটনগুলি ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন পর্যটন সম্ভাবনার কথা তিনি বলেন। প্রাকৃতিক, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক দিক থেকে এই সব জায়গা উজ্জ্বল। বিধায়ক খগেন মুর্মু বলেন, ২০০৮ সালে এ রাজ্যে পর্যটন নীতি তৈরি হয়েছে। তাতে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের অভিমুখ নির্দিষ্ট করা হয়। মন্ত্রী গৌতম দেব শুনিয়ে দেন, ২০১৫–১৬ সালে  মা–মাটি–মানুষের সরকারের পর্যটন নীতি ঘোষিত হয়েছে। ডুয়ার্স, কালিম্পঙ, অযোধ্যা পাহাড়, সবুজদ্বীপ, ঝড়খালিতে নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। হোম স্টে, ইকো এবং গ্রামীণ পর্যটনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস পর্যটনের ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। 
‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top