আজকাল ওয়েবডেস্ক: কে সরকার গড়বে কর্নাটকে? এই নিয়ে উত্তাল দেশের রাজনীতি৷ এই পরিস্থিতিতে ইয়াকুব মেননের পর প্রথমবার দেশের ইতিহাসে মধ্যরাতেই কোনও শুনানিতে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট৷ এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় কর্নাটকের রাজ্যপাল বজুভাই ভল্লা ইয়েদুরাপ্পাকে চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীপদে শপথ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। চিঠিতে লেখা হয় সকাল ৯টায় রাজভবনে হবে শপথ গ্রহণ। ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানায় কংগ্রেস৷বুধবার রাতেই সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির বাড়িতে গিয়ে আবেদন জানায় কংগ্রেস। ইয়েদুরাপ্পার শপথ গ্রহণে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আবেদন জানান অভিষেক মনু সিংভি। শুনানিও রাতের মধ্যেই করার আবেদন জানান তিনি। সেই আবেদন মেনেই রাতে সুপ্রিমকোর্টের প্রধানবিচাপতির বাড়িতে যান রেজিস্ট্রার। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্তেও কুমারস্বামীকে সরকার গঠনের জন্য ডাকা হয়নি, অভিযোগ করেন। কারণ হিসেব মত ২২২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপি ১০৫টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। অর্থাৎ একা সরকার গড়ার মত আসন বিজেপির কাছে নেই। এদিকে কংগ্রেস সেখানে পেয়েছে ৭৮টি আসন। জেডিএস পেয়েছে ৩৭টি আসন৷ জেডিএসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কুমারস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রী করে কর্নাটকের মসনদে বসাতে মরিয়া কংগ্রেস। সেকারণেই জেডিএস এবং কংগ্রেস প্রার্থী ছাড়াও ১ বিএসপি এবং ১ জন নির্দল প্রার্থীর সমর্থন নিয়ে মোট ১১৭ জন প্রার্থীর স্বাক্ষর সহ একটি চিঠি রাজ্যপালের কাছে জমা দিয়েছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস জেডিএস জোটের মোট ১১৭টি আসন রয়েছে যা সরকার গঠনের পক্ষে যথেষ্ট।সেটি উপেক্ষা করে কেন বিজেপিকে সরকার গড়ার জন্য ডাকা হল তা নিয়ে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। এই মামলার শুনানিতে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সওয়াল করবেন অভিষেক মনু সিংভি৷ অপরদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি উপস্থিত রয়েছেন৷ ইতিমধ্যে শুনানি শুরুও হয়ে গিয়েছে৷সুপ্রিম কোর্টে তিন বিচারপতির বেঞ্চে চলছে শুনানি৷ তিন বিচারপতির বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি এ কে সিকরি, বিচারপতি অশোক ভূষণ এবং বিচারপতি এস এ বোবদে৷  

জনপ্রিয়

Back To Top