আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিদ্যাসাগরের নতুন পঞ্চধাতুর মূর্তি গড়ার কথা ঘোষণা করে বিদ্যাসাগর কলেজে গত মঙ্গলবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার ‌উত্তর প্রদেশের মৌ–তে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে যোগী আদিত্যনাথের গুণগান নয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকেই আক্রমণের নিশানা করে নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, ‘‌পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঠাকুরনগরে আমার জনসভায় তৃণমূলের গুন্ডারা তাণ্ডব চালিয়েছিল। তারাই কলকাতায় অমিত শাহ্‌–এর রোড শো–এ গন্ডগোল পাকিয়েছে এবং বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে।’‌ এরপরই মোদির সদর্প ঘোষণা, ‘আমরা বিদ্যাসাগরের চিন্তাধারার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর তাই ওই জায়গাতেই তাঁর বিশাল পঞ্চধাতুর মূর্তি গড়ে দেব।’‌ মোদির এই মন্তব্য একইসঙ্গে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার পিছনে বিজেপির হাত থাকার অভিযোগ এবং বিজেপির আর্থিক ঔদ্ধত্য স্পষ্ট করছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, যেভাবে ভুল করলে মানুষ প্রায়শ্চিত্ত করে, তেমনই বিজেপির তরফে পাথরের মূর্তির বদলে দামি পঞ্চধাতুর মূর্তি বসানোর ঘোষণা, মূর্তি ভাঙার প্রায়শ্চিত্ত বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। 
শুধু মমতাই নন, এদিন মোদির আক্রমণের নিশানায় ছিলেন মায়াবতীও। মোদি এদিন বলেন, ‘‌মমতা দিদি উত্তর প্রদেশ এবং বিহারের মানুষদের তাঁর রাজনীতিতে বহিরাগত বলছেন। আমি ভেবেছিলাম এজন্য মায়াবতীজি মমতা দিদিকে ভর্ৎসনা করবেন। কিন্তু মায়াবতী নিজের রাজ্যবাসীকে নিয়ে চিন্তিত নন।’‌ পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের সময় কমিয়ে দেওয়া নিয়ে মমতা ব্যানার্জির পাশে দাঁড়িয়ে বৃহস্পতিবারই কমিশনকে তুলোধনা করেছেন মায়াবতী। এতেই রীতিমতো অশনিসঙ্কেত দেখছেন মোদি, মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল।
ছবি:‌ এএনআই      ‌   ‌  

জনপ্রিয়

Back To Top