আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালের পর দেখতে দেখতে কেটে গেল ২৬ বছর। ওই দিনই অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিল। তারপর থেকেই চলছে দ্বৈরথ। বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির হবে না মসজিদ, তার উত্তর এখনও লুকিয়ে সময়ের গর্ভে। কারণ বিতর্কিত জমিটি নিয়ে মামলা এখনও বিচারাধীন সুপ্রিম কোর্টে। তবে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বর্ষপূর্তিতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে অযোধ্যাকে। কোনও গণ্ডগোল যাতে না হয়, সেজন্য চারিদিকে কড়া নজর রেখেছে পুলিস প্রশাসন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখলেই কড়া পদক্ষেপ করতে পারে পুলিস, প্রয়োজনে কাউকে গ্রেপ্তার করতেও বাধা নেই। এমনই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। প্রতিবছর ৬ ডিসেম্বর দিনটিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল 'শৌর্য দিবস' ও 'বিজয় দিবস' হিসেবে পালন করে। অন্যদিকে মুসলিম সম্প্রদায় দিনটিকে 'ইয়াম-ই-গম' (দুঃখের দিন) ও 'ইয়াম-ই-শ' (কালা দিবস) হিসেবে পালন করে। আর দুই সম্প্রদায়ের মানুষই যাতে তাদের অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফৈজাবাদের পুলিশ সুপার অনিল সিং জানিয়েছেন, ‘‌ফৈজাবাদ–অযোধ্যায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার পুলিশ। এছাড়া রয়েছে আধা সামরিক বাহিনী ও র‌্যাফ। অযোধ্যা এবং তার আশপাশের অঞ্চলে রয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হোটেল ও ধর্মশালাগুলিতেও তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। এছাড়া অযোধ্যায় যেক’‌টি গাড়ি ঢুকবে, তার প্রতিটিতেই চেকিং করা হবে বলে খবর।’‌ এদিকে, অশান্তি ছড়াতে পারে এই সন্দেহে ইতিমধ্যে আটজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিস। বুলন্দশহরের ঘটনার পর আরও যেন সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। 

জনপ্রিয়

Back To Top