Sujan Chakraborty: 'গুষ্টিতে সবাই চোর', শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য সুজনের

মিল্টন সেন, হুগলি: খাদ্য আন্দোলনের শহিদ দিবস উপলক্ষে বামপন্থী সংগঠনের উদ্যোগে হুগলি জেলার চুঁচুড়ায় অনুষ্ঠিত হল বিশাল মিছিল।

এদিন দুপুরে চড়া রোড চুঁচুড়া খাদিনা মোড় থেকে ঘড়ির মোড় পর্যন্ত দুই কিমি রাস্তা মিছিলের নেতৃত্বে দেন সিপিএম কেন্দ্রীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী। মিছিল শেষে ঘড়ির মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে এদিন মিছিলে পা মিলিয়েছেন কয়েক হাজার বাম নেতা-কর্মী।

 এদিন সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, 'পার্থ বাবু জামিনের আবেদন করবেন এটা স্বাভাবিক। এখন উনি বলবেন অপা ইউটিলিটির সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই, মমতা ব্যানার্জি বলবেন অর্পিতাকে আমি চিনি না। কদিন পরে তৃণমূলের বাকি নেতারা হয়ত বলবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও চিনি না। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও হয়ত বলতে পারেন আমি তৃণমূলের কেউ না। মাঝখান থেকে মানুষের টাকা লুট হয়ে গেছে। সেই লুটের ভাগিদার পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের নেতারা। কালিঘাটে কতটা ভাগ গেছে এটা দ্রুত বলে দিন। লোকে যা ভাবছিলেন, আমরা যা ভাবছিলাম, দেখলাম গুষ্টিতে সবাই চোর। মমতা ব্যানার্জির ডানে বামে যাঁরা আছেন সবাই চোর। মমতার হাত যাঁদের মাথায় তাঁদের হাত যাঁদের উপর সবাই চোর। ফলে অনুব্রতর মেয়ে, সিকিউরিটি, ড্রাইভার, মৃতা স্ত্রী সবাই সুবিধা ভোগী। এনসিআরবি রিপোর্টটা একটা অদ্ভুত রিপোর্ট হয়েছে। দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা ভাল কিন্তু নারীদের উপর আক্রমণ অত্যাচার নাকি সবচেয়ে বেশি। এটা সোনার পাথরবাটি। আসলে পশ্চিমবঙ্গে মানুষের নিরাপত্তা নেই, এটা শেষ যে বলেছেন তিনি পানিহাটির তৃণমুল কাউন্সিলর, তাঁর স্বামী খুন হয়েছেন।' 

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল বিজেপিকে খুশি করতে চাইছে বিজেপিও তৃণমূলকে খুশি করতে চাইছে। পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। তাই চিটফান্ডে সবথেকে বেশি সুবিধা প্রাপ্ত নবান্নে বসে আছেন। সুজন বাবুর অভিযোগ, 'ভাইপো স্বাধীনতা দিবসের দিন কেন দুবাইতে গিয়েছিলেন? কী ব্যবস্থা করার জন্য দুবাইতে গিয়েছিলেন। কেনও ঘন ঘন সিঙ্গাপুর, হংকং, দুবাই ইত্যাদি যেতে হয় তাঁকে! ফলে পিসির ভাইপো, এখন শ্যালিকা। এর আগে তো ভাইপোর স্ত্রীকে সোনা পাচারের অভিযোগে ডাকা হয়েছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন মানহানির মামলা করবেন। আজ পর্যন্ত তা করেননি।' তিনি আরও বলেছেন, 'আমরা বলছি চোর ধরো জেল ভরো। এই কথাটার বিরোধীতা করার মতো কেউ আছেন? তৃণমূল কেনও বিরোধীতা করছে। আমরা বলছি চোর ধরো। বলিনি তো তৃণমূল ধরো। আসলে তৃণমূল নেতারা জানেন, চোর আর তৃণমূল সমার্থক। তাই ভয় পাচ্ছেন।' 

আকর্ষণীয় খবর