প্রার্থী অসন্তোষে দিকে দিকে বিক্ষোভ কর্মীদের, রাজ্য নেতাদের সঙ্গে রাতভর বৈঠকে শাহ-‌নাড্ডা

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় বিক্ষোভ শুরু করেছে বিজেপি কর্মী-‌সমর্থকেরা। আর সেই আঁচ এবার এসে পড়ল খাস কলকাতায় বিজেপির নির্বাচনী দফতরে। সোমবার বেলা গড়াতেই বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রার্থীতালিকা নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মুকুল রায়, অর্জুন সিং, সব্যসাচী দত্ত, শিবপ্রকাশরা। ব্যারিকেড দিয়েও ভিড় সামলাতে পুলিশকে রীতিমতো বেগ পেতে হয়। দলেরই বিরুদ্ধে এই বেনজির বিক্ষোভে রীতিমত অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির‌। আর এই পরিস্থিতির জেরে গুয়াহাটি গিয়েও কলকাতা ফিরে এলেন স্বয়ং অমিত শাহ। গভীর রাতেই বৈঠক হল রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে।  সেই বৈঠকে ছিলেন দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্যের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। বৈঠক চলল ভোররাত পর্যন্ত।

 

রাজারহাটের একটি পাঁচতারা হোটেলে হঠাৎ আয়োজিত এই বৈঠক যোগ দেন জেপি নাড্ডাও। সূত্রের খবর, ঘটনায় চিন্তিত অমিত শাহ, জে পি নাড্ডারা। দলীয় নেতাদের কথা শুনেছেন, পাশাপাশি প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটানোরও পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্রের খবর, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সমস্যা মেটানোর সময়ও বেঁধে দিয়েছেন শাহ। পাশাপাশি পর্যালোচনা হয়েছে প্রথম দুই দফার ভোটের রণনীতি নিয়েও।

রবিবারই প্রার্থী তালিকার ঘোষণার পর একাধিক জেলাতেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতাকর্মীরা। তবে গতকাল বিক্ষোভের তীব্র আকার ধারণ করে হেস্টিংস দফতরে। সূত্রের খবর, উদয়নারায়ণপুর, পাঁচলা, রায়দিঘির বিজেপি কর্মীরা এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, দল বহিরাগতদের প্রার্থী করেছে। রায়দিঘির প্রার্থী শান্তনু বিপুলি দলে এসেই প্রার্থীপদ পেয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ ছিল তাঁদের।
একুশে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে জয়ের পর যখন নীলকুঠি থেকে শাসনের স্বপ্ন দেখছে গেরুয়া শিবির, ঠিক তখনই প্রার্থী অসন্তোষ নিয়ে রীতিমত বেকায়দায় বিজেপি।  

আকর্ষনীয় খবর