Tarun Majumdar: তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে হবে না কোনও শোকমিছিল, দেহদানের সিদ্ধান্ত পরিবারের

আজকাল ওয়েবডেস্ক: লড়াই শেষ হল তাঁর।

চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেও, আপামর বাঙালি এবং সিনেমা প্রেমীদের মনে আজীবন বেঁচে থাকবেন পরিচালক তরুণ মজুমদার। সোমবার সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন পরিচালক। গতকাল আচমকা স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যায়। ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া বিনোদন দুনিয়ায়। 

তরুণ মজুমদারের পরিবারের তরফে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, তাঁর শেষকৃত্যে কোনও আড়ম্বর থাকবে না। কোনও শোকমিছিল হবে না। মৃত্যুর পর তাঁর দেহদানের ইচ্ছে ছিল পরিচালকের। সেই ইচ্ছে অনুসারেই, তাঁর মরদেহ দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার। সম্ভবত এসএসকেএম হাসপাতালেই তাঁর দেহদান করা হবে। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সময় ফুল বা মালা না নিয়ে আসার জন্যেও সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে পরিবারের তরফে। এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে তাঁর দেহ আনা হবে এনটিওয়ান স্টুডিওতে। সেখানেই অনুরাগীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। 

মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং তরুণ মজুমদারের পরিবারের সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েই শেষকৃত্যের আয়োজন করা হবে। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য হবে না তাঁর। উনি চেয়েছিলেন আড়ম্বরহীনভাবে শেষযাত্রা হোক। ওঁর ইচ্ছে অনুযায়ী সেটাই হবে। মরদেহ বাড়ি যাওয়ার পর ফের এসএসকেএমে নিয়ে আসা হবে দেহদানের জন্য।' 

পরিচালকের মৃত্যুতে স্ত্রী সন্ধ্যা রায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। অসুস্থতার খবর আগেই পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাসপাতালে গিয়েও দেখা করতে পারেননি। অন্যদিকে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রঞ্জিত মল্লিক, মৌসুমী চ্যাটার্জি, দেবশ্রী রায়েরা শোক প্রকাশ করেছিলেন। 

আকর্ষণীয় খবর