Survey: প্রধানমন্ত্রী পদে পছন্দ মোদিই, কিন্তু পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীদের স্কোর ভাবাচ্ছে বিজেপিকে

আজকাল ওয়েবডেস্ক: সামনেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট।

২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে যা বিজেপির কাছে কার্যত অ্যাসিড টেস্ট। ভোটের ফল ইঙ্গিত করবে দিল্লির কুর্সি কি ধরে রাখতে পারবে বিজেপি? আর তার আগে এক সমীক্ষার ফল সামনে এল। ইন্ডিয়া টুডে-সি ভোটারের মুড অফ দ্য নেশনের সমীক্ষা বলছে গত কয়েক বছরে মোদির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট প্রায় ৬৩ শতাংশ মানুষ। বর্তমান কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট প্রায় ৫৯ শতাংশ। আর দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৫২.৫ শতাংশ মানুষ ফের নরেন্দ্র মোদিকেই দেখতে চান‌। রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান মাত্র ৬.৮ শতাংশ মানুষ। এর মাঝে নরেন্দ্র মোদির আশেপাশে কোনও নেতাই নেই। গত আগস্ট মাসে নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা যেখানে মাত্র ২৪ শতাংশ ছিল তা এখন বেড়ে প্রায় ৫৩ শতাংশ। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সেই সময় নরেন্দ্র মোদি এবং রাহুল গান্ধীর জনপ্রিয়তার পার্থক্য ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ, কিন্তু এই সময় সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশের আশেপাশে।

কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড ও পাঞ্জাবে ভোট। পাঞ্জাব বাদে বাকি সমস্ত রাজ্যেই এই সমীক্ষা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তার ৫০ শতাংশের ওপরে। উল্লেখ্য, পাঞ্জাবে অবিজেপি সরকার রয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ওপর সেই রাজ্যের মানুষের আস্থা কম। উত্তরপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা যেখানে ৭৫ শতাংশ, সেখানে যোগী আদিত্যনাথের জনপ্রিয়তা ৪৮.৭ শতাংশ। গোয়ায় মোদির জনপ্রিয়তা ৬৭ শতাংশ, কিন্তু বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের জনপ্রিয়তা মাত্র ২৭.২ শতাংশ। মণিপুরে মোদির জনপ্রিয়তা ৭৩ শতাংশ। কিন্তু সেখানে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংকে পছন্দ মাত্র ৩৯.৩ শতাংশ মানুষের। একইভাবে উত্তরাখণ্ডে প্রধানমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর জনপ্রিয়তার ফারাক ১৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:‌ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দিলেন আরও দুই বিজেপি বিধায়ক, তাহলে কি...

উল্লেখ্য, লোকসভা ভোট এবং বিধানসভা ভোট অন্য পরিপ্রেক্ষিতে হয়। বিধানসভা ভোটে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা এবং ইস্যুগুলি প্রাধান্য লাভ করে। কিন্তু এর আগে দেখা গিয়েছে মোদি ম্যাজিকে বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতা বিস্তার করেছে বিজেপি। কিন্তু সম্প্রতি একাধিক পদক্ষেপে সমালোচনার মুখে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে এই পরিসংখ্যান কিছুটা হলেও ভাবাচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে। যদিও উত্তর মিলবে ভোটের ফলে।

আকর্ষণীয় খবর