আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নারদ মামলায় তৃণমূল মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। আর এ প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের মুখপাত্র আর সি যোশী সংবাদমাধ্যমে জানান, তৃণমূলের নেতাদের আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনে বলা রয়েছে যে রাজ্যপালের থেকে অনুমতি নিয়েও গ্রেপ্তার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে তাই করা হয়েছে। আইনের সমস্ত নীতি মেনেই কাজ করছে সিবিআই আধিকারিকরা। আজকে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম,সুব্রত মুখার্জি,বিধায়ক মদন মিত্র এবং কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক শোভন চ্যাটার্জিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক জন অভিযুক্ত আইপিএস অফিসার সৈয়দ মহম্মদ হুসেন মির্জাকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আপাতত জামিনে মুক্ত রয়েছেন তিনি।  নারদা মামলায় ৪ রাজনৈতিক নেতাকেই ভিডিওতে সরাসরি টাকা নিতে দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে ফিরহাদ হাকিম ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন, সুব্রত মুখার্জি ৫ লাখ,মদন মিত্রকে ৫ লাখ ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ৪ লাখ টাকা নিতে দেখা গিয়েছে। আর তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ৪ নেতাকে। যদিও তৃণমূলের তরফে এই গ্রেপ্তারিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার অধ্যক্ষও জানিয়েছেন তাঁকে না জানিয়ে, তাঁর অনুমতি না নিয়ে বিধানসভার জনপ্রতিনিধিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারি সম্পূর্ণ বেআইনি। পাল্টা তৃণমূলের তরফে বলা হচ্ছে নারদ কাণ্ডে শুভেন্দু অধিকারী এবং মুকুল রায়ও টাকা নিয়েছেন। ভিডিওতে তা দেখা গেছে অথচ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না কেন?‌ বিজেপিতে যোগ দেওয়াতেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে কেন তাদের। অবিলম্বে মুকুল রায় এবং শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। ইতিমধ্যেই নিজাম প্যালেসের বাইরে তৃণমূল নেতাদের মুক্তির দাবিতে চলছে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। 

জনপ্রিয়

Back To Top