‌অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়,রামপুরহাট: উন্নয়নের কাজে কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বুধবার রামপুরহাটে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে তিনি বেশ কয়েকবার ‘‌চ্যালেঞ্জ’‌ শব্দটি উচ্চারণ করে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগেন। মঙ্গলবার কাঁথির জনসভা থেকে বিজেপি–র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বিভিন্নরকম অভিযোগ তুলে আক্রমণ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে।  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বুধবার পাল্টা আক্রমণ শানালেন মমতা।
কারও নাম না করে এদিনের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌কেন্দ্রের বিজেপি নেতা–মন্ত্রীরা বিভিন্নভাবে এ রাজ্যে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছেন।’‌ এইসব মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। বলেন, ‘‌হয় এইসব অভিযোগ প্রমাণ করবেন, নয় রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।’‌ মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিজেপি–কে ‘‌টুকলিবাজ’‌, ‘‌‌চোরের দল’‌ ও  ‘‌বেহায়ার দল’‌ বলেও আক্রমণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন নাম না করে কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু নেতা–মন্ত্রীকে ‘‌অর্ধ শিক্ষিত’‌ ও ‘‌গর্ধশিক্ষিত’‌ বলে আক্রমণ করেন। বিজেপি–কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‌আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে ৪২–এ শূন্য পাবে বিজেপি।’‌ 
মুখ্যমন্ত্রী এদিন তঁার বক্তব্য পেশ করেন তঁার ছোটবেলায় রামপুরহাট লাগোয়া কুসুম্বা গ্রামে মামার বাড়িতে বেড়াতে আসার স্মৃতি রোমন্থন করে। রামপুরহাটের ছয়ফুঁকো রাস্তা দিয়ে রিকশা করে মামার বাড়ি যাওয়ার স্মৃতি রোমন্থন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌কী হাল ছিল ওই ছয়ফুঁকোটার! আর এখন দেখছি, সেখানকার রাস্তা সুন্দরভাবে তৈরি হয়ে গেছে। নতুন ব্রিজ হচ্ছে। আমি পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি বছর পরীক্ষার পর এক মাস করে এই গ্রামে এসে থাকতাম। গ্রামের কোনও পাড়া বা পুকুরের কী নাম, আমার এখনও মনে আছে। আমি দেখতাম এক হাঁটু করে গর্ত। মানুষ কত কষ্ট করে থাকত। এখন অনেক জায়গায় পাকা রাস্তা তৈরি হয়ে গেছে। অনেক মানুষকে ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। ৯০ শতাংশ শৌচাগার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।’‌
এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী সুর চড়িয়ে বলেন, ‘‌দিল্লির কিছু নেতা আছে, যারা অর্ধশিক্ষিত না গর্ধশিক্ষিত, আমি জানি না। যারা বাংলার শিক্ষা–সংস্কৃতি–সভ্যতা কিছুই জানে না। বাংলার রাস্তাঘাট চেনে না।’‌ সেইসব অর্ধশিক্ষিত–গর্ধশিক্ষিত কেউ কেউ এসে বলে যাচ্ছে, কন্যাশ্রী প্রকল্প নাকি আমরা অনুকরণ করে করেছি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‌আমি সরকারি সভায় দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে ওইসব অর্ধশিক্ষিত ও গর্ধশিক্ষিতদের চ্যালেঞ্জ করছি। আপনারা এটা প্রমাণ করুন। কন্যাশ্রী শুরু হয়েছিল কবে?‌ ২০১৩ সালে। আর আপনাদের ন্যাকামো প্রকল্প, নাটেরগুরুর প্রকল্প ১০০ কোটি টাকার বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্প শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালে। আমরা আপনাদের 

জনপ্রিয়

Back To Top