আজকাল ওয়েবডেস্ক: বছরের পর বছর ধরে করে গেছেন কর্ণাটকি। একদিক থেকে উইকেট পড়ছে। তিনি উল্টোদিকে অবিচল। ভারতীয় মিডিয়া নামই দিয়েছিল ‘‌দ্য ওয়াল।’‌ রাহুল দ্রাবিড়ের অবসরের পর শূন্যতা তৈরি হয়েছিল তিন নম্বরে। পুজারা নিজের মতো চেষ্টা করছিলেন। কখনও সফল হয়েছেন। কথনও বা ব্যর্থ। এডিলেডে যখন একে একে বিরাট সহ বাকিরা প্যাভিলিয়নের পথ ধরেছেন। তিনিই দাঁত চেপে লড়াই করে গেলেন স্টার্ক, কামিন্স, হ্যাজলউডদের বিরুদ্ধে। শতরানটা করে ফেললেন টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে। একেবারে দ্রাবিড়ীয় ঘরানা। বুঝিয়ে গেলেন ‘‌দ্য ওয়াল’‌ এর যোগ্য উত্তরসূরী তিনিই। 
টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন বিরাট। কিন্তু হ্যাজলউড, স্টার্ক, কামিন্সদের পেসের সামনে নড়বড়ে ছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মুরলি বিজয়। পৃথ্বী চোট পাওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন বিজয়। কিন্তু এদিন করলেন মাত্র ১১। রাহুলও (‌২)‌ এলেন আর গেলেন। বিরাটও (‌৩)‌ থই পেলেন না। কামিন্সের বলে আউট হলেন। রাহানেও সুযোগ পেয়ে ব্যর্থ। বরং রোহিত (‌৩৭)‌ একটা চেষ্টা করেছিলেন। ঋষভ (‌২৫)‌ ও অশ্বিন (‌২৫)‌ পুজারাকে সঙ্গ না দিলে যে কী হত!‌ ২৪৩ বলে পুজারার ১২৩ রান ভারতকে শুধু লড়াইয়ে রাখল না। বাকি ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাসও জুগিয়ে গেল। বেসিকটা ঠিক থাকলে যে রান পাওয়া যাবে এটা পুজারার ব্যাটিং দেখেই পরিস্কার। 
বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের কঙ্কালসার চেহারাটা বেরিয়ে পড়েছিল। ঠিক যেন দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা ইংল্যান্ড সিরিজের পুনরাবৃত্তি। গোটা ব্যাটিং ফেল, যেটুকু খেলেছেন শুধু পুজারা। তাঁর অনবদ্য ১২৩ রানের সৌজন্যে ২০০–র গণ্ডি পার করল ভারত। দিনের শেষে ভারতের রান ৯ উইকেটে ২৫০।
এদিন অসি বোলারদের মধ্যে সবাই মোটামুটি সফল। লায়ন, স্টার্ক, কামিন্স, হ্যাজলউড প্রত্যেকেই দু’‌টি করে উইকেট নিয়েছেন। 
পুনশ্চ:‌ উইকেট ব্যাটসম্যানদের সহায়ক হতে শুরু করেছে। বুমরা, ইশান্ত, সামিদের কাছে শুক্রবার সকালটা অগ্নিপরীক্ষা হতে যাচ্ছে।   ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top