আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হাসপাতালের ভিতর তাঁদের নিরাপত্তার দাবি পূরণ হলেই তাঁরা সবাই কাজে যোগ দেবেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথাই বললেন এনআরএস–এর আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন চিকিৎসক এবং নার্সদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত এবং সরকারি হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিল আন্দোলনকারীদের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে জুনিয়র ডাক্তাররা জানালেন, ‘‌আমরা চাই রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে উপযুক্ত নিরাপত্তা এবং এনআরএস–এ গত ১০ তারিখ যারা চিকিৎসকদের উপর হামলা চালিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা। আমাদের দাবি ন্যায্য। রাজ্যপাল আমাদের কথা শুনেছেন। আজ সন্ধ্যায় এব্যাপারে তিনি সর্বদল ডেকেছেন। দেখুন, ‌আমরা সবাই হাসপাতালেই আছি। কেউ তো বাড়িতে নেই। দাবি পূরণ হলেই আমরা সঙ্গে সঙ্গে কাজে নামব। উপযুক্ত নিরাপত্তা মানে হাসপাতালে সশস্ত্র পুলিস মোতায়েন রাখতে হবে।’‌ একইসঙ্গে তাঁরা যোগ করেছেন, বহির্বিভাগ বন্ধ করে আন্দোলন চালালেও প্রায় সব হাসপাতালেই জরুরি পরিষেবা স্বল্প সংখ্যায় হলেও চলছে। জরুরি পরিষেবা তাঁরা বন্ধ করেননি। এসএসকেএম–এ করা মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য অসাংবিধানিক বলে ক্ষোভপ্রকাশ করে জুনিয়র ডাক্তাররা বলেছেন, ‘‌আমরা তো একে–৪৭ নিয়ে যুদ্ধ করতে যাই না। আমরা ডাক্তার। চিকিৎসা করি। পরিষেবা দিই।’‌ রাজ্য সরকার বললে তাঁরা সবাই হস্টেল খালি করে দেবেন। কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামাবেন না।
এদিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ রাজ্যপাল রাজ্যের চারটি প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যপাল। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চ্যাটার্জি, সোমেন মিত্র, জয়প্রকাশ মজুমদার এবং মহম্মদ সেলিম। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেলিম বলেছেন, চিকিৎসকদের আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব তা নিয়েই আলোচনা করেছেন রাজ্যপাল। 
ছবি:‌ এএনআই‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top