আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ২০১৮–র ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবার বন্যার গ্রাসে কেরল। এপর্যন্ত সরকারি হিসেবেই ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ৪০ জন। রাজ্যজুড়ে ১৩৩২টি ত্রাণশিবিরে আছেন ২.‌৫২ লক্ষ মানুষ। মঙ্গলবার অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। ফলে আলাপ্পুঝালা, এর্নাকুলাম এবং ইড্ডুকিতে মঙ্গলবার, মালাপ্পুরম এবং কোঝিকোড়ে বুধবার লাল সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। এদিন ওয়ানাড়ের চান্ডেলের সেন্ট জুডস্‌ কবরস্থানে ত্রাণশিবির ঘুরে দেখেন রাহুল গান্ধী। এদিন সকালেই বন্যাকবলিত জেলাগুলি আকাশপথে ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

 
কর্নাটকে মৃতের সংখ্যা মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪৮ জন। ২৭৩৮টি গ্রাম প্লাবিত এবং ৪০৫২৩টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। ১২২৪টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন ৬০০০০ মানুষ। রাজ্যে প্রায় ৫০০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদিয়ুরাপ্পা মঙ্গলবার কেন্দ্রের কাছে ১০০০০ কোটি টাকা অবিলম্বে বন্যাত্রাণের অনুদান হিসেবে চেয়েছেন। সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা শিবমোগ্গা এদিন ঘুরে দেখে ইয়েডি বলেছেন, আগামী শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বন্যা পরিস্থিতির বিস্তারিত রিপোর্ট দেবেন তিনি। 
মহারাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ৪৩।

সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা কোলহাপুর, সাঙ্গলি এবং সাতারা। সেখানে প্রায় ৪৭০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নাসিক এবং উপকূল মহারাষ্ট্রে ২১০৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে ৫.‌৬ লক্ষ মানুষকে। ৬১০০০ গবাদি পশুকেও নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস কেন্দ্রের কাছে ত্রাণের জন্য ৬৮১৩ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে চেয়েছেন।
গুজরাটের কচ্ছ জেলার রাস্তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে ১২৫ জন দুর্গতকে এদিন উদ্ধার করেছে বায়ুসেনা। তবে মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকে রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।
ছবি:‌ এএনআই      

জনপ্রিয়

Back To Top