Qutub Minar: এবার খনন হবে কুতুব মিনারেও!‌ নতুন এই বিতর্ক নিয়ে কী বলল কেন্দ্র জেনে নিন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দেশে একের পর এক প্রাচীন স্থাপত্য নিয়ে তৈরি হচ্ছে বিতর্ক।

জ্ঞানবাপী, তাজ মহলের পর বিতর্কের কেন্দ্রে কুতুব মিনার। কুতুবউদ্দিন আইবক এই মিনার তৈরি করিয়েছিলেন নাকি বিক্রমাদিত্য?‌ এখন সেই নিয়ে শুরু বিতর্ক। বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম দাবি করেছিল, কুতুম মিনার চত্বরে খননের নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। সেই নিয়ে তুমুল হইচই পড়ে যায়। অবশেষে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক জানিয়েছে, এখনও এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। 
এর আগে শোনা গিয়েছিল, ওই চত্বরে যে সব বিগ্রহ, মূর্তি রয়েছে, সেগুলোর ছবি তোলার নির্দেশ দিয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রক। কুতুব মিনারের দক্ষিণে যে মসজিদ রয়েছে, তার থেকে ১৫ মিটার দূরত্বে খনন কাজ শুরুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (‌এএসআই)‌ এই খনন কাজ চালিয়ে রিপোর্ট দেবে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রককে। শনিবার ওই চত্বর ঘুরে দেখেন সংস্কৃতি সচিব গোবিন্দ মোহন। তার পরেই এই নির্দেশ এসেছে। শেষ পর্যন্ত সেই দাবি খারিজ করেছে কেন্দ্র। এএনআই–কে জানিয়েছে এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। 

KCR: অখিলেশের পর কেজরি, বাংলায় এসে মমতার সঙ্গেও কথা বলবেন কেসিআর, কেন?‌


গত মাসে এই কুতুম মিনার থেকে গণেশের মূর্তি সরাতে আইএসআই–কে বারণ করেছে দিল্লি আদালত। আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন পিটিশন দায়ের করেছিলেন জৈন তীর্থঙ্কর ঋষভ দেবের হয়ে। তাঁর দাবি, কুতুব মিনার চত্বরে ২৭টি হিন্দু ও জৈন মন্দির ভেঙে সেই সব কাঁচামাল দিয়ে মসজিদ তৈরি করিয়েছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবক। তিনি ছিলেন শাক মহম্মদ ঘোরির সেনাপতি। মসজিদের নাম দিয়েছিলেন কুয়াত–উল–ইসলাম। 
কুতুব মিনার চত্বরে এখনও রয়ে গিয়েছে দু’‌টি গণেশের মূর্তি। সেই দু’‌টিকে সরিয়ে জাতীয় যাদুঘরে নিয়ে যেতে চায় এএসআই। তাতেই বাধা দিয়ে দিল্লির সাকেত কোর্টে আবেদন করেছিলেন জনৈক বিষ্ণু শঙ্কর জৈন। শুনানি হবে ২৪ মে। 

আকর্ষণীয় খবর