আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নারদ মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৃণমূলের নেতাদের। আর তার জেরে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে চলছে তৃণমূলের বিক্ষোভ। আর তার মধ্যেই আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নামে এইআইআর দায়ের করলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পশ্চিম মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছেন দিলীপ ঘোষ। সেই এফআইআরের কপি দিলীপ ঘোষ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জির কাছে পাঠিয়ে দেন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ,রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। আর এর জন্য দায়ী মখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বিধানসভা ভোটের প্রচারে বেরিয়ে লাগাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়েছেন। সাধারণ মানুষকে হিংসা ছড়ানোর প্ররোচনা দিয়েছেন। আর তার জেরেই রাজ্যজুড়ে হিংসা তৈরি হচ্ছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাজ্যজুড়ে অরাজকতা চলছে। এর জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে। বিজেপির দিল্লি থেকে আগত নেতাদের বহিরাগত তকমা দিয়ে নিশানা করতেন তিনি। এর জন্য ,কর্মসূত্রে বাইরের রাজ্যে থাকা বাঙালিরা মানসিকভাবে ভয়ে আছেন। তাঁদের সুরক্ষা নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে। এই সসমস্ত বিষয়ের জন্য দায়ী মমতা ব্যানার্জি। রাজ্যে লকডাউন চললেও যেভাবে তৃণমূল কর্মীরা আজ বিক্ষোভ দেখাতে, হাঙ্গামা করতে রাস্তায় নেমেছে তাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। করোনা ছড়ানোর জন্য দায়ী থাকবে তৃণমূল। আজ যে সমস্ত তৃণমমূল নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। তা আদালতের নির্দেশ মেনেই করা হয়েছে। আদালতকে মানেন না, সংবিধান মানেন না তাই তৃণমূল প্রতিহিংসার কথা বলছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দেগেছেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের দাবি, বিজেপি ভোটে জিততে পারেনি। আর তাই প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। সেইজন্যই সুব্রত মুখার্জি,ববি হাকিমদের সিবিআই দিয়ে সম্পূর্ণ বেইআনি ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অথচ নারদ কাণ্ডে টডাকা নেওয়ার অপরাধে বিজেপির মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এর জবাব সিবিআইকে দিতে হবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top