আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ যোগী, মায়াবতীর পর এবার আজম খান এবং মানেকা গান্ধী। দু’‌জনের বিরুদ্ধেই নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। অনেকে বলছেন সুপ্রিম কোর্টের ঠেলায় নড়েচড়ে বসেছে কমিশন। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করায় আজম খান ৭২ ঘণ্টা প্রচার করতে পারবেন না। মানেকা গান্ধীর ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ধার্য হয়েছে ৪৮ ঘণ্টা। মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে তাঁরা আর প্রচার করতে পারবেন না। ফলে নির্বাচনে প্রাক্কালে বিপাকে পড়লেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, সোমবার রামপুরের সভায় জয়াপ্রদার নাম না করে আজম খান বলেন, ‘‌মানুষটা ১০ বছর ধরে রামপুরের লোকজনের রক্ত চুষেছে। আমি তাঁর হাত ধরে তাঁকে রামপুরে এনেছিলাম। রামপুরের পথঘাটের সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করাই। কাউকে স্পর্শ করতে দিইনি তাঁকে। কাউকে একটা কুমন্তব্য করতে দিইনি। আপনারা তাঁকে ১০ বছরের জন্য প্রতিনিধি বানালেন। তাঁর আসল রূপ চিনতে আপনাদের ১৭ বছর লেগে গেল। আমি তো ১৭ দিনেই বুঝতে পেরেছি তাঁর অন্তর্বাস খাকি রঙের।’‌ এরপরই জয়প্রদার প্রতি এই মন্তব্যের জন্য আজম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। 
অন্যদিকে, সম্প্রতি মানেকা গান্ধী উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে প্রচারে গিয়ে মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‌আমি জিতছি এটা গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের ভালোবাসা এবং সমর্থন পেয়ে জিতব। কিন্তু যদি মুসলিমদের সাহায্য ছাড়াই নির্বাচনে জিতি, তাহলে তা ভাল হবে না। মনটা খারাপ হয়ে যাবে। তখন যদি কোনও মুসলিম ব্যক্তি আমার কাছে কাজের জন্য আসেন, আমি তো তাঁর কাজ সহজে করব না। সবকিছু তো দেওয়া–নেওয়া পদ্ধতির মতো। তাই নয় কী? আমরা তো সবাই মহাত্মা গান্ধীর ছেলে নয় (হাসি)। এরকম তো হতে পারে না, যে আমরা শুধু দিয়ে যাব তারপরও নির্বাচনে হারব। জয় আসবেই। সে আপনারা সাথে থাকুন আর না থাকুন।’‌ এই মন্তব্য নিয়েও জোর বিতর্ক হয়। এবার দু’‌জনের উপরই নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।

জনপ্রিয়

Back To Top