আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‘‌বাজারে আগুন লেগে গিয়েছে। এক কিলো পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার বেশি।’‌ লোকসভায় মঙ্গলবার পেঁয়াজের অগ্নিমূল্য নিয়ে বলতে গিয়ে এই মন্তব্যই করলেন কক্ষের বিরোধী দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। সারা দেশে যখন আমজনতা রান্নাঘরের এই অতি আবশ্যক কন্দটি কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে কেন্দ্র কেন অবস্থা মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা জানতে চান অধীর। তিনি বলেছেন, ‘এক কিলো পেঁয়াজ উৎপাদন করতে ৮–৯ টাকা খরচ হয় একজন কৃষকের। তাঁদের কী হচ্ছে?‌ ‌প্রধানমন্ত্রী বরাবরই দাবি করেছেন, আমি নিজে ঘুষ খাব না, আর কাউকে খেতেও দেব না।

‌প্রধানমন্ত্রী খান আমি সেকথা বলছি না। কিন্তু পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দেশবাসীর পকেট খালি হয়ে যাচ্ছে।’‌ সারা দেশে কৃষকরা ঋণের দায়ে জর্জরিত। এই সব রুখতে প্রধানমন্ত্রী কী কী ব্যবস্থা নিয়েছেন তা সরকারের কাছে জানতে চান লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এদিন সকালেই সংসদ চত্বরে পেঁয়াজের দাম নিয়ে সরকারকে বিঁধে আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং পেঁয়াজের মালা পরে বিক্ষোভ দেখান। 
অধীরের মন্তব্যের কোনও ব্যাখ্যা দিতে না পেরে বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার সন্ত্রাসের বাড়বাড়ন্তের অভিযোগ করেন। আরেক সাংসদ পুণম মহাজন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির জন্য অধীরের ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি জানান।

নাম না করে সোনিয়া গান্ধী এবং গান্ধী পরিবারের প্রতি কংগ্রেসের আনুগত্যকে কটাক্ষও করেন পুণম। যদিও বিজেপির এই চেঁচামেচি বিরোধীদের মনে রেখাপাত করেনি। তুমুল হইচইয়ের মধ্যেই কংগ্রেস সহ বিরোধী সাংসদরা লোকসভা থেকে ওয়াকআউট করেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার লোকসভায় অধীর চৌধুরি নির্মলা সীতারমণকে নির্বলা বলে কটাক্ষ করেছিলেন। তার আগে গত রবিবার এনআরসি ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহকে গুজরাট থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী বলেও কটাক্ষ করেছিলেন।
ছবি:‌ এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top