Tmc-Abhishek: ‘‌মমতাদি আমারও নেত্রী’‌, কল্যাণ–বিতর্কে ইতি টানলেন খোদ অভিষেক

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন নেত্রী মমতা ছাড়া আর কাউকে মানেন না।

আঙুল যে ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে, বলাই বাহুল্য। সেই নিয়ে বিতর্ক হল বিস্তর। এবার তাতেই জল ঢাললেন অভিষেক। গোয়ায় বসে বলে দিলেন, মমতা দি তাঁরও নেত্রী, তাই কল্যাণ যা বলেছেন, সেটার সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।
তৃণমূল সাংসদ বললেন, ‘‌কী বলেছেন কল্যাণবাবু? মমতাদি ওঁর নেত্রী আর বাকি কাউকে মানেন না। আমিও তো তাই বলছি। মমতা ব্যানার্জি আমার নেত্রী। বাকি মানি না। তাহলে বিরোধ কোথায়?’ এত সহজে যে এই বিরোধ শেষ হয়ে যাবে, তা হয়তো বিরোধী শিবির এবং দলের একাংশ ভাবতেও পারেনি। ভেবেছিল, এই বিরোধ অনেক দূর এগোবে। তার পর হয়তো তৃণমূল কংগ্রেসে স্পষ্ট বিভাজন হয়ে যাবে। বাড়বে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ‌কিন্তু তাতে ইতি টানলেন অভিষেক। 
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে তাঁকেও আক্রমণ করেছিলেন। সেই নিয়েও জবাব দিলেন অভিষেক। বললেন, ‘‌এর থেকে বোঝা যায় তৃণমূলে কংগ্রেসের মতো কোনও হাইকমান্ড কালচার নেই। দলে গণতন্ত্র আছে।’‌ এভাবেই রীতিমতো ছক্কা হাঁকালেন অভিষেক। বিতর্কে ইতি টেনে বোঝালেন এখনও দলের রাশ সুপ্রিমো মমতারই হাতে। 

Covid: ৫ বছরের কমবয়সি শিশুদের পরতে হবে না মাস্ক, নতুন নির্দেশিকা কেন্দ্রে
ঠিক কী বলেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়?‌ রীতিমতো বোমা ফাটিয়েই তৃণমূল সাংসদ জানিয়েছিলেন, একমাত্র মমতা ব্যানার্জিকেই তিনি নেত্রী বলে মানেন, অন্য কাউকে নয়। অভিষেকের নামও তুলে আনেন। এক প্রকার জানিয়েই দেন, যে অভিষেকের নির্দেশও তিনি মানতে বাধ্য নন। এনিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সামলাতে আসরে নামেন তৃণমূলের অন্যান্য নেতারা। এবার কল্যাণের কথাই নিজের মুখে বসিয়ে বিতর্কে ইতি টানলেন অভিষেক। 

আকর্ষণীয় খবর