গৌতম মণ্ডল, কাকদ্বীপ: ১৭ বছরের মানসী মাঝি ব্ল্যাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। নিয়মিত কেমো নিতে হয় তাকে। এমন অবস্থার মাঝেও লেখাপড়া করে মানসী। এখন একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। মানসী আরও পড়তে চায়। কিন্তু লেখাপড়া ও চিকিৎসা, দুই ক্ষেত্রেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। চিকিৎসার খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন মানসীর অভাবী মামা। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে মানসীর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার বড় খরচ সরকারিভাবে করাও হচ্ছে। কিন্তু গত ১০ মাস ধরে ধারাবাহিক চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন আর পেরে উঠছেন না মামা দিলীপ বেরা।
জয়নগরের আদি বাসিন্দা মানসী। বাবা নকুল মাঝি অনেক বছর আগে মারা যান। তারপর মা সুজলা আচমকাই একদিন মেয়েকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। গত ৭ বছর ধরে কাকদ্বীপের রাজনগর শ্রীনাথগ্রামে মামার বাড়িতেই থাকে সে। সেখানেই বড় হয়ে উঠছে সে। মামা দিলীপ বেরা সামান্য চাষবাস করে সংসার চালান। তার মধ্যেই সে পড়াশোনা করে। মামার বাড়িতে আসার পর থেকে রাজনগর শ্রীনাথগ্রাম বাণী বিদ্যাপীঠে পড়ে মানসী। গত বছর মাধ্যমিক পাশ করে স্কুলের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে।
মাস দশেক আগে মানসীর এই দুরারোগ্য ক্যান্সার ধরা পড়ে। তারপর থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার জন্য স্কুলে নিয়মিত যেতেও পারে না সে। আগামী দিনে চিকিৎসার জন্য স্কুলের শিক্ষকরাও যথাসাধ্য করছেন। এখন মানসী চাইছে সাহায্য ও সহমর্মিতা। যোগাযোগ:‌ দিলীপ বেরা ‌৯৭৩৫৬৭২৮৪৩।

জনপ্রিয়

Back To Top