আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন!‌ রাজ্যে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে ভুল রিপোর্ট দিয়েছেন!‌ এসব অভিযোগ তুলে উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনকে অপসারণের দাবি তুলল তৃণমূল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (‌সিইও)‌–কে এই নিয়ে চিঠি লিখলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’‌ ব্রায়েন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুললেন আর এক সাংসদ সৌগত রায়ও।
পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সুদীপ। বৃহস্পতিবার তাঁর বিরুদ্ধেই একের পর এক অভিযোগ তুললেন ডেরেক, সৌগতরা। সিইও–কে চিঠিতে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক লিখলেন, ‘‌কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফ এবং রাজ্য পুলিশকে নিয়ে গঠিত কুইক রেসপন্স টিমের নেতৃত্বে একজন সিআরপিএফ আধিকারিককে রাখার ব্যবস্থা শুরু করেছিলেন সুদীপ জৈন। ভারতীয় সংবিধানের সপ্তম তফশিলের দু’নম্বর ধারা অনুযায়ী আইন–শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত। এমন সিদ্ধান্ত দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোরও পরিপন্থী।’‌ 
বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রসঙ্গও তুলেছেন চিঠিতে ডেরেক। ওই একই অভিযোগ এদিন তৃণমূল ভবনে করেছেন সৌগত রায়ও। বলেন, ‘‌যদি বিহার, তামিলনাড়ুতে এক দফায় ভোট হতে পারে, বাংলায় আট দফা কেন? সুদীপ জৈনের ইস্তফা দাবি করছি। এর আগেও ওঁর পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আমরা দেখেছি। ২০১৯ সালে অমিত শাহের মিছিলের সময় বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙায় ভুল রিপোর্ট দিয়েছিলেন। তিনি পক্ষপাতদুষ্ট, তাই সেই সময় প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কুইক রেসপন্স টিম চালু করেছিলেন। সংবিধান বহির্ভূত কাজ করেছিলেন।’‌
প্রসঙ্গত করোনা টিকার শংসাপত্র সহ সরকারি প্রকল্পে মোদির ছবি ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করেছিল তৃণমূল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মোদির ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। তবে এদিন ডেরেকের চিঠি নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ উপ নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর আবেদন সিইও–কে করা যায় কিনা, প্রশ্ন উঠছে। উপ–নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে কোনও পদক্ষেপ করার প্রশাসনিক এক্তিয়ার তাঁর নেই।
 

জনপ্রিয়

Back To Top