রিনা ভট্টাচার্য
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং ওষুধের দোকান আগে বন্ধ করা চলবে না। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কলকাতা ও শহরতলি এলাকায় প্রবীণ নাগরিকদের কাছে হোম ডেলিভারি সংস্থাগুলি খাবারের পাশাপাশি মুদিখানার সামগ্রীও পৌঁছে দেবে। শনিবার এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, ওষুধের পাইকারি বিক্রেতা, হোম ডেলিভারির সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি সংস্থা, মুদিখানার সামগ্রী বিক্রেতা বহুজাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এদিন বৈঠক করেন মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা। মুদিখানার সামগ্রী বিক্রয়কারী বহুজাতিক সংস্থাগুলিকে প্রবীণ নাগরিকদের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়। কিন্তু লকডাউনের কারণে কর্মীর অভাব রয়েছে। তাই তাঁরা আপত্তি জানান। পরিবর্তে তাঁরা প্রস্তাব দেন, রেস্তোরাঁ থেকে যাঁরা খাবার হোম ডেলিভারি করেন তাঁদেরকেই এই দায়িত্ব দেওয়া হোক। এই প্রস্তাব বৈঠকে উপস্থিত হোম ডেলিভারি সংস্থাগুলি মেনে নিয়েছে।
কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রবীণ, একা থাকেন এমন নাগরিকদের কাছে খাবার হোম ডেলিভারি শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডেলিভারি যাঁরা করবেন তাঁদের পাস দেওয়ার কথাও বলেছিলেন। লকডাউন অবস্থায় খাদ্যসামগ্রী কতটা মজুত র‌য়েছে, ওষুধ সরবরাহ ঠিক রয়েছে কি না, প্রবীণ নাগরিকদের কীভাবে সাহায্য করা যায় সে–বিষয়ে জানতে বৈঠক ডেকেছিলেন। রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং ওষুধের দোকান আগে বন্ধ করা চলবে না। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে।‌ বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ আসছিল, ওষুধের দোকানগুলি দুপুরের আগেই বন্ধ করে দিচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে।‌‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top