বিপুল পরিমাণ সোনার বিস্কুট-সহ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার দুই ভারতীয়

আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোনার বিস্কুট-সহ গ্রেপ্তার দুই পাচারকারী। সোমবার বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের ডিউটিরত আধিকারিকরা সন্দেহভাজন অবস্থায় জয়ন্তীপুরের পার্কিং এলাকা থেকে বেরিয়ে আসা একটি সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল চালককে দেখতে পান। বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের কর্মীরা মোটরসাইকেল চালককে বাধা দিলে এবং তল্লাশি করলে তার কোমরে বাঁধা ৩০টি সোনার বিস্কুট পোশাকের ভিতরে লুকিয়ে থাকতে দেখা যায়। বাজেয়াপ্ত সোনার বিস্কুটগুলির মোট ওজন ৩৪৯৯.৭৮ গ্রাম, যার ভারতীয় বাজারে আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। বাইক আরোহীর সঙ্গে আরও একজন ছিল। ধৃতদের নাম সুমন তরফদার, আশিক হালদার। বাংলাদেশ থেকে ভারতে আনা হচ্ছিল বলে খবর। ধৃতরা ভারতীয়।

সুমন তরফদার জানায়, সে পেশায় ট্রাক চালক। বর্তমানে সে ১৫ জুলাই টাটা কোম্পানির রপ্তানি করা মাল নিয়ে বাংলাদেশে গিয়েছিল। এদিন ফের বেনাপোলের বাসিন্দা করিম ভাইয়ের কাছ থেকে ৩০টি সোনার বিস্কুট নেওয়ার পরে সে সকাল ১০ টার সময় ভারতে ফিরে আসছিল। মূল বিল্ডিংয়ের সামনের পার্কিং এলাকা থেকে যখন সে মোটর সাইকেলটি নিয়ে জয়ন্তীপুরে ফিরে যাচ্ছিল, তখন আইসিপির অভ্যন্তরে রেল ক্রসিংয়ের কাছে চেক করার সময় বিএসএফ তাকে ৩০টি সোনার বিস্কুট সহ আটক করে। চোরাচালানকারীকে আরও আইনি কার্যক্রমের জন্য কাস্টম অফিস পেট্রাপোলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৭৯ ব্যাটালিয়নের  কমান্ডিং অফিসার শ্রী অরুণ কুমার আইসিপি পেট্রাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানি যানবাহন এবং যাত্রীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের ছদ্মবেশে পাচার বন্ধে যোগাযোগ করেছেন, যাতে কেউ যেন ব্যাগেজের আড়ালে কোনো তস্করি না করতে পারে।  রপ্তানি বাহনের ছদ্মবেশে চোরাচালান হতে পারে তা তিনি উপেক্ষা করতে পারেন না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, চোরাচালানকারীদের তাদের পাচারের পথ ছেড়ে মূল স্রোতে আসা উচিত।