TMC: ‌‌তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনের দিন ঘোষণা, দলীয় বিতর্কে জল ঢাললেন পার্থ

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভোটের দামামা বাজল তৃণমূলের অন্দরে।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন। ৩১ মার্চ ঘোষিত হবে নতুন কার্যকরী সমিতি। এদিন ঘোষণা করলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার পার্থ বলেন, ‘‌আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন। তারপর থেকে একে একে বুথ কমিটি থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন চলবে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কোভিড বিধি মেনে দলের সর্বস্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন সেরে ফেলা হবে। সেই দিনই তৃণমূলের কার্যকরী সমিতির ঘোষণা করা হবে।’ তবে স্বাভাবিকভাবেই ভোট হবে না তৃণমূল চেয়ারপার্সন পদে। ২০১৭ সালে শেষবার তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছিল।
২ ফেব্রুয়ারি নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে যাবতীয় করোনা বিধিনিষেধ মেনেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকছেন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন পার্থ বলেন, ‘‌পরবর্তী সময়ে যাঁরা আমাদের প্রতিনিধি, ভোটার এবং পর্যবেক্ষক হবেন, তাঁদের তালিকা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে তৈরি করা হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া হবে আমাদের সংবিধান মেনে। দলীয় স্তরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মমতা ব্যানার্জির বিকল্প দলে নেই। তিনিই অভিষেক ব্যানার্জিকে সাধারণ সম্পাদক করেছেন। এবার নির্বাচন বাকি পদের জন্য হবে।’‌ জানা গেছে, যাঁরা ডেলিগেট, তাঁরাই হবে ভোটার। খুব স্বাভাবিকভাবেই দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী থাকছেন মমতা ব্যানার্জি। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। তবে দলকে সর্বভারতীয় পরিকাঠামো দিতে বিভিন্ন স্তরে কিছু রদবদল হতে পারে।

 

আরও পড়ুন:‌ কয়লা কাণ্ডে তদন্তের গতি নিয়ে বিরক্তি, ইডিকে ভর্ৎসনা আদালতের ‌

সম্প্রতি রাজ্যের শাসক দলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাজ্যের শাসক দলের সাংসদ তথা লোকসভার চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে দলের তরুণ প্রজন্মের নেতাদের থেকে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল, সেই নিয়ে জোর চর্চা চলেছে। মদন মিত্রের কথাও দলকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে। দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির তরফে মদনকে সতর্কও করে দেওয়া হয়েছে। যদিও মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের মধ্যে কোনও বিতর্ক নেই। তাঁর কথায়, ‘‌দলে কোনও বিতর্ক নেই। তৃণমূল বিতর্ক নিয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দেব না। কোথাও বিতর্ক নেই।’‌ এর পাশাপাশি প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলো বিতর্ক টেনেও মঙ্গলবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। পাশাপাশি অভিষেক বিতর্কেও জল ঢালেন তিনি। বলেন, ‘‌অভিষেককে নিয়ে বিতর্ক টেনে এনে লাভ নেই। গোটা দেশের যুব মননে আলাদা করে তাঁর উপস্থিতি রয়েছে।’‌ 


 

আকর্ষণীয় খবর