দীপঙ্কর নন্দী

আজ, শনিবার থেকে তিন দিন রাজ্য সরকারের উন্নয়ন নিয়ে জেলা জুড়ে প্রচারে নামছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নেতাদের প্রতিটি বুথে এই কর্মসূচি পালন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। উন্নয়নের সময় বিজেপি যে কুৎসা ও অপপ্রচার করছে, তার বিরুদ্ধে বক্তব্য পেশের জন্য দলের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দল থেকে বলা হয়েছে, কন্টেনমেন্ট জোনে লকডাউন শুরু হয়েছে। সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। বেশি ভিড় করা চলবে না। ২০১১ থেকে ২০২০ পর্যন্ত বাংলায় যে–‌সব উন্নয়ন হয়েছে, প্রকল্প চালু হয়েছে, সে–‌সবই নেতাদের তুলে ধরতে হবে।
৬ জুলাই থেকে তৃণমূলের টানা কর্মসূচি চলছে। শুক্রবার সমবায় ব্যাঙ্ক নিয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে শহর ও জেলা জুড়ে সমবায় ব্যাঙ্কগুলির সামনে অবস্থান–বিক্ষোভ করে তৃণমূল। কলকাতা পুরসভার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াটারলু স্ট্রিটে সমবায় ব্যাঙ্কের প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। আমহার্স্ট স্ট্রিট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সামনে বিকেল পর্যন্ত অবস্থান চলে। ভাষণ দেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটর গোপাল সাহা, সঞ্চিতা মণ্ডল, সত্যেন্দ্রনাথ দে ও সোহিনী মুখার্জি। দক্ষিণ কলকাতায় বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সামনে দোলা সেন বিক্ষোভ দেখান।
এদিন ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কোঅপারেটিভ হাউজিং ফেডারেশন লিমিটেডের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান আশিস চক্রবর্তী এক বিবৃতিতে জানান, রাজ্যব্যাপী কেন্দ্রীয় সরকারের সমবায় স্বার্থ–বিরোধী অর্ডিন্যান্সের প্রতিবাদে দুই মেদিনীপুর, বর্ধমান, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনায় অবস্থান–কর্মসূচি পালিত হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের সমবায় আন্দোলনের নেতা আশিস জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের কালা অর্ডিন্যান্সের কারণে আগামী দিনে আরবিআই এই সমস্ত ক্ষমতার পাশাপাশি ব্যাঙ্কগুলিকে মার্জ ও লিকুইডেট করার ক্ষমতা রাজ্যের সমবায় রেজিস্ট্রারের থেকে নিজের হাতে নেবে। সমবায়ের ওপর রাজ্যের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বকলমে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে চলে যাবে। এটা স্পষ্ট কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্র। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সমবায়ের স্বাধিকার–‌বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সারা দিন অবস্থান–‌কর্মসূচি পালন করা হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top