আজকালের প্রতিবেদন: বিধাননগরের সেন্ট্রাল পার্কে শুরু হল সরস মেলা। বৃহস্পতিবার, ১৫তম এই কলকাতা সরস মেলার উদ্বোধন করেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। কলকাতায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জাতীয় স্তরের একমাত্র হস্তশিল্প মেলা এটি। উদ্যোগ রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের। অনুষ্ঠানে সুব্রত মুখার্জি বলেন, ‘‌নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সারা ভারতকে পথ দেখাচ্ছে বাংলা। এবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাজেটে গ্রামোন্নয়ন দপ্তরকে ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছেন, যা সবথেকে বেশি। দেশের প্রায় সব ক’‌টি রাজ্যের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন এই মেলায়। কাশ্মীর থেকেও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর একাধিক দল এসেছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চ্যাটার্জি বলেন, ‘‌গ্রামীণ দারিদ্র‌ দূরীকরণে এবং জীবন–জীবিকার উন্নয়নে কাজ করছে রাজ্যের আনন্দধারা প্রকল্প।’‌ বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘‌মহিলাদের নিজেদের পায়ে দাঁড় করাতে ও রুটি–রুজির ব্যবস্থা করতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের এই আনন্দধারা প্রকল্প।’‌ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব এম ডি রাও জানান, এ রাজ্যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে যে ব্যাঙ্কঋণ দেওয়া হয়, তার প্রায় ৯৬ শতাংশ টাকা ফেরত পাওয়া যায়। এটি সারা দেশের মধ্যে রেকর্ড। অনুষ্ঠানে এছাড়াও ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাধিপতি বীণা মণ্ডল, পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, নাবার্ডের সিজিএম সুব্রত মণ্ডল, এসবিআইয়ের সিজিএম রঞ্জনকুমার মিশ্র প্রমুখ। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা ছাড়াও ২০টি রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যরা তাঁদের হাতে তৈরি সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন এবারের সরস মেলায়। রয়েছে ২৮৮টি স্টল, এর মধ্যে ২৫টি স্টল খাবারের। পাশাপাশি রয়েছে ৩টি প্যাভিলিয়ন। মেলা চলবে ২ মার্চ পর্যন্ত। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ঋণ দিয়ে সাহায্য করে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য ব্যাঙ্কগুলিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে।‌

‌সরস মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি, বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী প্রমুখ। সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে। বৃহস্পতিবার। ছবি:‌ জয় সাধুখাঁ

জনপ্রিয়

Back To Top